পুরনো দাবী থেকে না সরায় আইএসএফের সঙ্গে জোটের আশা কার্যত ছেড়েই দিয়েছে সিপিএম। বুধবার রাতে নওশাদ বলেন, “বাম-কংগ্রেস চায়নি আইএসএফের সঙ্গে জোট হোক। কংগ্রেস তো শুরু থেকেই চাইছে না। বামের কিছুটা মনোভাব থাকলেও তারাও চাইছে না। যদি তারা চাইতো তাহলে আইএসএফকে সন্মানজনক জায়গায় রেখে জোট করতো।



আরও পড়ুন: আরও তৎপর ইডি! শাহজাহানের অ্যাকাউন্ট ‘ফ্রিজ’ করে ভুয়ো রেশন কার্ডের তথ্য চাইল
জোট নিয়ে আমাদের দিক থেকে স্বার্থত্যাগ করতে করতে আসন সাতে এসে দাঁড়িয়েছে। আশা করব বামেদের দিক থেকে একটু ওপরে উঠুক। বারাসত-বসিরহাট-বনগাঁ-দমদম-বারাকপুর এই পাঁচটি আসনের মধ্যে দু’টি চেয়েছি আমরা।” সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার আইএসএফ দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে পারে। সন্ধ্যা সাতটায় ফুরফুরায় দলের প্রধান কার্যালয় থেকে ঘোষণা হবে প্রার্থী।



এদিকে বামেরা তাদের পুর্ণাঙ্গ প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করতে পারেনি। বেশ কয়েকটি আসনে তারা বাম শরিক ও কংগ্রেসের সঙ্গে আসন সমঝোতা করতে পারেনি। জোট হওয়ার পরেও বামেরা কংগ্রেসকে ভোট দেয়না বলেও অভিযোগ ওঠে। এই নিয়ে চাপা ক্ষোভ রয়েছে বামেদের অন্দরে। এদিকে ডায়মন্ডহারবারের মত হাইভোল্টেজ কেন্দ্রে প্রার্থী খুঁজে পাচ্ছেনা বামেরা।

বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ জোট বিশ বাঁও জলে, বৃহস্পতিবার প্রার্থী ঘোষণা আইএসএফের
জল্পনা রয়েছে ডায়মন্ডহারবার কেন্দ্রে কংগ্রেসের প্রার্থী হতে পারে সোমেন পুত্র রোহন মিত্র। কংগ্রেস ও সিপিএম একত্রে উত্তর কলকাতার তৃণমূল স্তরে সংগঠন জোরদার করতে আগ্রহী। এই দুই দলের নেতার বক্তব্য, এটা শুধু রাজনৈতিক লড়াই নয়, সংবিধান ও বহুত্ববাদ বাঁচানোর লড়াই। সিপিএম ও কংগ্রেস নেতাদের দাবী, কলকাতা উত্তরে দুর্নীতিগ্রস্ত ও দলবদলু প্রার্থীদের বিরুদ্ধে শুধু জোট-প্রার্থী প্রদীপ ভট্টাচার্য যথেষ্ট।







