EMI-তে ১ মার্চ থেকে ৩১ অগস্ট পর্যন্ত সুদ মুকুব। নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্র।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ EMI-তে ১ মার্চ থেকে ৩১ অগস্ট পর্যন্ত সুদ মুকুব। স্থগিত EMI-এর সুদ মুকুব নিয়ে কেন্দ্রকে দ্রুত সিদ্ধান্ত কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। আর এবার পুজোর মধ্যেই সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল কেন্দ্রীয় সরকার।  সুদের উপর সুদ মামলায় গত শুনানিতে শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রের সুদের ওপর সুদ মিটিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রশংশনীয়। কিন্তু তা এখনও কার্যকর করা হয়নি কেন? জানতে চায় সুপ্রিম কোর্ট। উত্তরে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা ১৫ ই নভেম্বর পর্যন্ত সময় চান সুপ্রিম কোর্টের কাছে। এরপর আজ নিজেদের নেওয়া সিদ্ধান্তের ঘোষণা করল কেন্দ্র।

আরও পড়ুনঃ কাজ হলনা পদত্যাগের নাটকে। যুব মোর্চা রাজ্য সভাপতির পদ হারাতে চলেছেন সৌমিত্র খাঁ।

 লক্ষ লক্ষ ছোট ঋণগ্রহীতা সুদের ওপর সুদের কারনে চরম অসুবিধায় পড়েছিলেন। তাই অবিলম্বে সরকারকে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণের কিস্তি স্থগিতাদেশের ক্ষেত্রে সুদের উপরে সুদ মকুবের সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। এরপর আজই সেই সুদ মুকুবের নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্র।কেন্দ্র জানিয়েছে, ২ কোটি টাকা পর্যন্ত সমস্ত ধরনের ঋণ গ্রহীতা পাবেন সুবিধা। সুদের ওপর সুদ মকুব করা হবে গত ১ মার্চ থেকে ৩১ অগস্ট পর্যন্ত।

আজ কেন্দ্রের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, গত ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নেওয়া ঋণের ক্ষেত্রেই এই সুবিধা মিলবে। ঋণের সর্বমোট আটটি শ্রেণি এই সুবিধা পাবে। সেগুলি হল ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই), শিক্ষা, গৃহ, দীর্ঘমেয়াদি ভোগ্যপণ্য, গাড়ি, ব্যক্তিগত, কেনাকাটার জন্য নেওয়া ঋণ ও ক্রেডিট কার্ডের ধার। কেন্দ্র নির্দেশ দিয়েছে, সুদের উপরে সুদ মকুবের টাকা যোগ্য গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে এক্সগ্রাশিয়া হিসেবে জমা দেবেন ঋণদাতা বা ব্যাঙ্ক। আগামী পাঁচ-ই নভেম্বরের মধ্যেই সমস্ত কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

EMI-তে ১ মার্চ থেকে ৩১ অগস্ট পর্যন্ত সুদ মুকুব। নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্র। ব্যাঙ্ক এবং গ্রাহক উভয়পক্ষ কে বাঁচাতে সরকার ওই বাড়তি সুদ বাবদ খরচ বহন করবে। কেন্দ্রের খরচ হবে আনুমানিক ৬৫০০ কোটি টাকা। কিন্তু অনেকেই জানতে চাইছেন এই সুদের ওপর সুদ বিষয় টি কি? বা তাতে কতটা সুবিধা পাবেন গ্রাহক?

ধরা যাক কোন গ্রাহক বাড়ি কেনার খাতে ঋন নিয়েছেন ৪০ লক্ষ টাকা। আর এই ৪০ লক্ষ টাকা ঋণের জন্যে তাকে মাসে ৩০ হাজার টাকা কিস্তি দিতে হচ্ছে এখন। এই ৩০ হাজার টাকার মধ্যে সুদ বাবদ দিতে হচ্ছে ১৭ হাজার আর মূল ঋণ অর্থাৎ প্রিন্সিপ্যাল অ্যামাউন্ট শোধ হচ্ছে ১৩ হাজার টাকা। এদিকে গ্রাহক করোনা পরিস্থিতিতে ইএমআই দিতে পারেননি ৬ মাস(মার্চ ২০২০-আগস্ট ২০২০) অর্থাৎ তার প্রদেয় সুদের অর্থ জমে গেল ১৭ হাজার X ৬ = ১ লক্ষ ২ হাজার টাকা। ব্যাঙ্ক চক্রবৃদ্ধি হারে এই সুদের অপর সুদ চাপাচ্ছিল। আজ সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র হলফনামা দিয়ে জানিয়ে দিল সুদের ওপর চাপানো সুদের অংশ টি পরিষোধ করবে কেন্দ্র।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত