নজরবন্দি ব্যুরোঃ ৩২৮ রান তাড়া করে ক্যাঙ্গারুর দর্পচুর্ণ করলো ভারত। ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয় ভারতের। তাও আবার বিরাট সহ বেশ কয়েকএকজন প্রথম সারির খালোয়ারকে ছাড়াই। এই জয়কে এক কোথায় বলা যায়, সিঙ্ঘের গুহায় ঢুকে সিঙ্ঘ বধ। অস্ট্রেলিয়া গাব্বাই ৩২ বছরে কোন টেস্ট ম্যাচ হারেনি। আর এই মাঠেই ভারত কোন দিনই জেতেনি। এবার সেই রেকর্ডকেই চুর্ন করলো বিরাট হীন রাহানে বাহিনী।
আরও পড়ুনঃ বার্সালোনার হয়ে প্রথম লাল কার্ড দেখলেন মেসি, হতে পারে বড় শাস্তি।
এই জয়ের সাথে সাথে বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি দখলে রাখল ভারত। ঐতিহাসিক এই জয়ের পিছনে সবচেয়ে বড় অবদান রয়েছে ভারতিয় তরুণ তুর্কিদের।ম্যাচের পঞ্চম দিনে সুভমান ও পন্থের দুর্দান্ত ব্যাটিঙ্গের দৈলতে দর্পচুর্ণ হল অজিদের। টেস্টের পঞ্চম বা শেষ দিনে রাহানে বাহিনীর দরকার ছিল ৩২৪ রান। যা এই উইকেটে সহজ ছিলনা। তার ওপর আবার ছিল বৃষ্টি। পঞ্চমদিনের অষ্টম ওভারেই মাত্র সাত রানে ফিরেযান রহিত।
৩২৮ রান তাড়া করে ক্যাঙ্গারুর দর্পচুর্ণ করলো ভারত। এরপর দরকার ছিল একটা ভালো জুটির। আর সেটা পুশিয়ে দিলেন গিল ও উজারা।একজন আক্রমণাত্মক ব্যাটিং আর অন্যজন অভিজ্ঞতায় ভরপুর ক্লাসিক ব্যাটিং। আর এই আক্রমণাত্মক ব্যাটিমগ করে লাঞ্চের আগেই চলতি সিরিজের দ্বিতীয় অর্ধসত রান করে ফেলে গিল। যত সময়ে যাচ্ছিল, ততই তাঁর খেলাতে পরিনতর ছাপ স্পষ্ট হচ্ছিল। লাঞ্চের পরে আবার যখন শুরু করেন গিল পুজারা তখন সবার মনে হচ্ছিল, ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি পেয়েই যাবেন গিল। ঠিক তখনই ৯১ রানে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরলেন গিল।
এরপর ব্যাট করতে নামেন রাহানি। কিন্তু রানের গতি বাড়াতে গিয়ে ২২ বলে ২৪ রান করে আউট হন ভারতের বর্তমান অধিনায়ক। এরপ্র নামেন পন্থ। পুরো টি২০-এর মেজাজে ব্যাট করতে শুরু করেন পন্থ। অপরদিকে ৫৬ রান করে আউট হন পুজারা। এর পর বেশিক্ষন টিকে থাকতে পারেননি মায়েঙ্ক আগারওয়াল। তখনই একটু চাপে পড়ে ভারত। এরপর ওয়াশিংটন সুন্দরের সাথে জুটি বেঁধে অস্ট্রেলিয়া বধের প্রধান কারিগড় হয়ে ওঠেন রিশভ। ২২ রানের মাথা সুন্দর আউট হলেও ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে আর মাথা তুলতে দেয়নি রিশভ। ৮৯ রানে নটআউট থেকে দেশকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন ভারতীয় দলের এই তরুণ উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান।



