প্রথম একদিনের ম্যাচেই বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ভারত। কোটাম্বি স্টেডিয়ামে ব্যাট হাতে শক্ত ভিত গড়ে ভারতের সামনে ৩০১ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিল নিউ জ়িল্যান্ড। ডেভন কনওয়ে, হেনরি নিকোলস ও ড্যারিল মিচেলের অর্ধশতরানে ভর করেই ৫০ ওভারে ৩০০ পার করল কিউয়িরা। মাঝের দিকে সাময়িক ব্যাটিং ধস নামলেও শেষ পর্যন্ত সমস্যা হয়নি সফরকারীদের।
ইনিংসের শুরুতে ভারতের বোলারদের চাপে ফেলতে পারেননি ওপেনাররা, তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আত্মবিশ্বাস বাড়ে কনওয়ে ও নিকোলসের। একই ওভারে দু’জনেই অর্ধশতরান পূর্ণ করেন। হর্ষিত রানা একের পর এক আঘাতে ম্যাচে ফেরান ভারতকে। প্রথমে কনওয়েকে বোল্ড করেন, পরের ওভারে ৬২ রানে নিকোলসকে ফিরিয়ে দেন কেএল রাহুলের হাতে ক্যাচ করিয়ে।
এর পর ক্রিজে দাঁড়িয়ে ম্যাচ ঘোরানোর চেষ্টা করেন ড্যারিল মিচেল। আইপিএল খেলার সুবাদে ভারতের পিচ তাঁর চেনা, সেটারই পূর্ণ সদ্ব্যবহার করেন তিনি। ধীরে ধীরে শতরানের দিকে এগোচ্ছিলেন মিচেল, কিন্তু ৮৪ রানে তাঁকে থামান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ।
এর পর দ্রুত উইকেট পড়তে শুরু করে। প্রসিদ্ধের দুরন্ত বলে বোল্ড হন মিচেল হে (১৮)। মহম্মদ সিরাজ-এর খাটো লেংথের বলে খারাপ শট খেলে ১২ রানে ক্যাচ দেন উইল ইয়ং। সিরাজ আরও একটি উইকেট নেন—ফোকসের ব্যাটে লেগে বল স্টাম্পে আছড়ে পড়ে। কুলদীপ যাদবের বলে গ্লেন ফিলিপস ক্যাচ দেন শ্রেয়স আইয়ারের হাতে। দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে শ্রেয়সের সরাসরি থ্রোয়ে রান আউট হন কিউয়ি অধিনায়ক ব্রেসওয়েল।
ভারতের হয়ে হর্ষিত রানা, সিরাজ ও প্রসিদ্ধ—তিনজনই দু’টি করে উইকেট নেন। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে নিউ জ়িল্যান্ড তোলে ৩০০ রান, ভারতের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩০১।
উল্লেখ্য, কোটাম্বি স্টেডিয়াম-এ এই প্রথম কোনও আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ম্যাচ আয়োজন করা হল। অতীতে এখানে মহিলাদের আইপিএল ও বিজয় হাজারে ট্রফির ম্যাচ হয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এই মাঠে প্রথম ইনিংসে গড় রান প্রায় ২৮৪। ফলে কাজটা সহজ নয়, তবে অসম্ভবও নয়—এখন দেখার, এই রান তাড়া করতে পারে কি না ভারত।



