নজরবন্দি ব্যুরোঃ এএফসি (AFC) এশিয়ান কাপ (Asian Cup) কোয়ালিফায়ারের প্রথম ম্যাচ ছিল ভারত ও কম্বোডিয়ার মধ্যে। কিন্তু এদিন নজিরবিহীন লজ্জার মুখোমুখি হল ভারত। কার্যত লজ্জায় মুখ পুড়ল দেশের ফুটবল রাজধানী কলকাতার। নিয়ম অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ম্যাচের নিয়মে অতিথি দলের জাতীয় সঙ্গীত আগে বাজে। কিন্তু এদিন যুবভারতী ক্রিড়াঙ্গনে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র।
আরও পড়ুনঃ রেকর্ড পরিসংখ্যান, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন মিতালি রাজ


নিয়ম অনুযায়ী কম্বোডিয়ার জাতীয় সঙ্গীত বাজার কথা। সেই মত ঘোষণাও হয়। কিন্তু ঘোষণার পরেও ভারতের জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগনমন অধিনায়ক জয়হে’ বাজতে শুরু করে দেয়। ঘটনাযর জেরে হকচকিয়ে যান কম্বোডিয়ার ফুটবলাররা। অবাক হয়ে যান বিদেশী ফুটবলাররা। কম্বোডিয়ার ম্যানেজার হিসেবে এসেছেন জাপানের তারকা ফুটবলার হন্ডা, তিনি হতচকিতভাবে চারিদিকে তাকাতে শুরু করেন। বলে ফেলেন, ‘হোয়াট হ্যাপেন্ড’।

এতো গেল শুরুর বিভ্রাটের কথা কিন্তু বিভ্রাট আর বিভ্রান্তির আরও বাকি ছিল বোধহয়। হলও তাই। শুরুতে কম্বোডিয়ার জাতীয় সঙ্গীর বাজার কথা ঘোষণার পরেও বেজে ওঠে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত, পরে ফের ঘোষণা হয় কম্বোডিয়ার জাতীয় সঙ্গীত বাজার। কিন্তু, ভারতের জাতীয় সঙ্গীতের পরে আর কোনও জাতীয় সঙ্গীতই হয়নি!



তবে শেষপর্যন্ত পাঁচ মিনিট পরে কম্বোডিয়ার জাতীয় সঙ্গীত বেজেছে। জাতীয় সঙ্গীত বাজার পরে বিড়ম্বনা কাটে আয়োজক কর্তাদের। ভারতের ফুটবলাররাও এই ঘটনায় চরম বিড়ম্বনার মুখে পড়েন। তারাও মোটেই মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন না জাতীয় সঙ্গীত বিভ্রাটের জন্য। বিদেশী দলের ফুটবলারদের সামনে লজ্জায় পড়ে যায় ভারতের পুরো টিম।
যুবভারতীর বুকে জাতীয় সঙ্গীত বিভ্রাট, আন্তর্জাতিক লজ্জার মুখে কলকাতা।

তবে যুবভারতী ক্রিড়াঙ্গনে বিভ্রাটের ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগে বহু বার যুবভারতীর আলো নিভেছে। বেশির ভাগ সময়ে খেলা চলাকালীন। কিছুদিন আগে জাপানের বিরুদ্ধে প্রি-ওয়ার্ল্ড কাপের ম্যাচে আলো নিভে গিয়েছিল যুবভারতীতে। পরিকাঠামোগত দিক থেকে আয়োজকরা যে কতটা উদাসীন সেটা আজ আবার প্রমান হয়ে গেল।







