বাংলাদেশের গণআন্দোলনের জেরে দেশ ছাড়া সে দেশের সরকার। তারপর থেকেই অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ হামলার চালানো হচ্ছে সে দেশের সংখ্যালঘুদের ওপর। তবে এই পরিস্থিতে দিল্লীর অবস্থান ঠিক কি হবে সেই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ বিদেশমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলের নেতারা। এরপর এদিন ৩ টের সময় বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে বক্তব্য রাখেন এস জয়শঙ্কর।
সংসদে এদিন বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানান, “বাংলাদেশের পরিস্থিতি খুব আশঙ্কাজনক। ভারত সরকারের তরফে বাংলাদেশের প্রবাসীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টা আমরা ঢাকার কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও যোগাযোগ রেখেছি। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকের-উজ-জামান এর সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা সঙ্কাজনক। বাংলাদেশের সংখ্যালঘু দের সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমরা সে দেশের সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি। তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত রাখার ব্যাপারে উদ্বেগে রয়েছে ভারত। এবং যতক্ষণ পর্যন্ত সে দেশের আইন শৃঙ্খলা স্বাভাবিক হচ্ছে ততক্ষন উদ্বেগে থাকবে ভারত।”
যদিও এর আগে সর্বদলীয় বৈঠকে ভারতের বিদেশ মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা ভারতেই রয়েছে। তবে পরবর্তী কালে তার কি পদক্ষেপ রয়েছে সে বিষয়টি হাসিনার উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তার সিদ্ধান্তের জন্য অবশ্যই তাঁকে একটু সময় দিতে হবে।এছাড়াও তিনি জানান বাংলাদেশের পরিস্থিতির উপর করা নজর রাখা হয়েছে। তবে সেনা সূত্রে খবর, শেখ হাসিনার সেফ জোন হিসেবে মূলত ইউকে বা ফিনল্যান্ড কে বেছে নেওয়া হয়েছে।



