নজরবন্দি ব্যুরো: বিগত কয়েক বছরে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক অনেক উন্নত হয়েছে। বাণিজ্যিকভাবে দুদেশের সম্পর্ক মজবুত করতে প্রায়ই আলোচনা চলে। এদিকে ওপার বাংলায় প্রভাব বিস্তার করতে মরিয়া চিন। ঢাকা কবজা করে ভারতকে বেকায়দায় ফেলতে নানা পরিকল্পনা চলছে। এই পরিস্থিতির মাঝেই শীঘ্রই ভারতে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণেই হাসিনার এই সফর বলেই জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন: নাড্ডার বঙ্গ সফরের একদিন আগেই যাদবপুরের জেলা সভাপতি বদল
প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী সেপ্টেম্বর মাসে ভারতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রামগড় মৈত্রী সেতু দুই দেশের দুই প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে উদ্বোধন করেছিলেন। খালিদ মাহমুদ এবিষয়ে বলেন, “যেহেতু দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী আমাদের মৈত্রী সেতু উদ্বোধন করেছেন। আমরা চাই প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগেই যেন আমরা এর অপারেশনে চলে যেতে পারি।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও শেখ হাসিনার আমলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন মাত্রা লাভ করেছে। বাংলাদেশের মোংলা বন্দর, পায়রা সমুদ্রবন্দর এবং চট্টগ্রামের বে-টার্মিনালে বিনিয়োগ করার ইচ্ছে প্রকাশ করেছে দিল্লি।

সম্প্রতি বাংলাদেশের নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে একটি বৈঠক হয় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত প্রণয় ভার্মা। এই বৈঠকে আলোচিত বিষয়গুলির মধ্যে ছিল বাংলাদেশের নৌযান শ্রমিকদের ল্যান্ডিং পাস দেওয়া, রামগড় স্থলবন্দর এবং দিনাজপুরের বিরল স্থলবন্দরের বিপরীতে পশ্চিমবঙ্গের রাধিকাপুর স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা চালু, ভারতের হলদিয়া পর্যন্ত নৌপথে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নৌচালনা সংক্রান্ত সমস্যা দূর করা। পাশাপাশি নৌ প্রতিমন্ত্রী নাবিকদের অন অ্যারাইভাল ভিসা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, আগামী মাসে ভারতে আয়োজিত হতে চলেছে জি-২০ সামিটের বৈঠক। বাংলাদেশ জি-২০-র সদস্য না হলেও দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের মর্যাদা দিতে দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশি দেশগুলির মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
ভারত সফরে আসছেন শেখ হাসিনা, চিন প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ!




