সামনেই লোকসভা নির্বাচন। আর সেদিকে পাখির চোখ করেই ভারতের সব রাজনৈতিক দল নেমে পড়েছেন নিজেদের প্রচারে। এবার লোকসভা নির্বাচনে মুখোমুখি এনডিএ (NDA) এবং ইন্ডিয়া। দেশের ২৭ টি বিরোধী দল নিয়ে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে তৈরি হয়েছিল ইন্ডিয়া। জন্ম লগ্ন থেকেই এই দল বা জোট নিয়ে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা সন্ধিহান ছিলেন।
আরও পড়ুন: ৭৫ তম সাধারণতন্ত্র দিবসে ভারতের প্রধান অতিথি ইম্যানুয়েল মাকরঁ



সময় যত গড়িয়েছে বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার বাঁধন ততোই আলগা হয়েছে। সম্প্রতি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) জানিয়ে দিয়েছেন তিনি কংগ্রেসের সাথে বাংলায় জোটে থাকবেন না জোটে থাকবেন না।কংগ্রেসের সমালোচনা করেছেন আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালও (Arvind Kejriwal)। আর এবার সেই পথেই পা বাড়ালেন ইন্ডিয়া জটিল প্রধান কর্পুরী উদ্যোক্তা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)।

নীতীশ কুমার কংগ্রেসকে তোক দেগে মোদীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন। আর এরপরেই ভোটের আগে ইন্ডিয়া জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। গত মঙ্গলবার বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কর্পুরী ঠাকুরকে (Karpuri Tagore) মরণোত্তর ভারতরত্ন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে মোদী সরকার। আর এই ঘোষনার পরেই ঘুরে গিয়েছে বিহারের রাজনৈতিক সমীকরণ।


কর্পুরী ঠাকুরের শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এক জনসভায় বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার বলেন, “আমি ২০০৫ সালে কর্পুরী ঠাকুরকে ভারতরত্ন (Bharat Ratna) দেবার আবেদন করেছিলাম। কিন্তু সেই সময়ের কেন্দ্রীয় সরকার আমার সেই আবেদন কর্ণপাত করেনি। অবশেষে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার সেই আবেদনে সাড়া দিয়েছেন। আমি তাই বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার ও তার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (Narandra Modi) ধন্যবাদ জানাই “।
ভাঙার মুখে INDIA জোট! এবার বেসুরো নীতীশ

এই বক্তব্যের পরেই ইন্ডিয়া (INDIA) জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় রকমের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন তবে কি নিতিশের গলায় উল্টো সুর। যদিও এরপরে ব্যক্তিগতভাবে নীতীশ কুমার এবং তার দল জেডিইউ এর পক্ষ থেকে কোনরূপ মন্তব্য করা হয়নি। আর এখানেই ইন্ডিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন দেশের তাবর রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।







