নজরবন্দি, কুশল দাসগুপ্ত: নতুন বছরে পর্যটকদের ভিড় উপচে পড়ল শিলিগুড়ির বেঙ্গল সাফারি পার্কে। ছোটো থেকে বড় সব বয়সের মানুষকে নতুন বছরের প্রথম দিনটিকে আনন্দের সঙ্গে কাটাতে দেখা যায়। এদিন সকাল থেকেই সাফারি পার্কে ছিল বহু পর্যটকের আনাগোনা।
আরও পড়ুন: ব্যারিকেড ভাঙায় কৃষকদের ওপর বেধড়ক লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়ল পুলিশ
১ জানুয়ারির সমস্ত সাফারির টিকিট বুকড ছিল। এর ফলে সাফারি না করেই অনেককে ফিরে যেতে হয়। পর্যটকরা জানান, ২০২১-কে স্বাগত জানিয়ে পরিবারকে নিয়ে দিনটিকে কাটাতেই একসঙ্গে বেঙ্গল সাফারিতে আসা। এছাড়া ২০২০ এর পুরোনো স্মৃতি ভুলে নতুন বছরের আনন্দ উপভোগ করতেই ঘুরতে আসা। তবে অনেকেই দুঃখের সাথে জানান, নতুন বছরে আনন্দ করতে বেঙ্গল সাফারিতে আসেন তারা। তবে সাফারির টিকিট না পেয়ে ফিরতে হচ্ছে তাদের। এদিন পরিবারের সঙ্গে বনভোজনও করতে দেখা যায় পর্যটকদের।
করোনা আবহেই বিধি মেনে ঘর থেকে বেড়িয়ে পড়া। কেউ গজলডোবার তিস্তা পারে। দিনভর ব্যস্ত রাখে নৌকাবিহারে। কেউ আবার সেবক পাহাড়ের কোলে। আবার অনেকেই শহর লাগোয়া দুধিয়া, তুড়িবাড়ি, গাড়িধুরা, রংটং, তিনধরিয়ার পথে। অন্যদিকে, একটা বড় অংশ আবার ভিড় জমিয়েছিল বেঙ্গল সাফারি পার্কে। কোভিড বিধি মেনে মাস্ক পড়ে সাফারি পার্কে পর্যটকদের আনাগোনা।
নতুন বছরে পর্যটকদের ভিড় উপচে পড়ল শিলিগুড়ির বেঙ্গল সাফারি পার্কে, তবে অন্যবারের তুলনায় ভিড় ছিল অনেকটাই কম। পার্ক ক্যাম্পাসেই চুটিয়ে মজা। খানাপিনা! তার ফাঁকেই কার সাফারিতে বেড়িয়ে পড়া। রয়েল বেঙ্গল টাইগার থেকে লেপার্ড। বাইসন থেকে ভল্লুক, হাতি থেকে চিতল হরিণ দর্শন। আর নানা নাম না জানা পাখি। আবার অনেকেই টয়ট্রেন রাইডে পার্ক চত্বর ঘুরে দেখেন। সেইসঙ্গে দেদার সেলফি তোলার হিড়িক।



