ডিজিটাল মিডিয়ার প্রভাব অনেক বেশি, তাই গাইডলাইন আনা জরুরি , নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের ।

ডিজিটাল মিডিয়ার প্রভাব অনেক বেশি, তাই গাইডলাইন আনা জরুরি , নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের ।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ডিজিটাল মিডিয়ার প্রভাব অনেক বেশি, বৈদ্যুতিক সংবাদমাধ্যমের চেয়ে ।তাই, ফেসবুক , হোয়াটসআপ -র মতো ডিজিটাল মাধ্যমগুলিতে আজকাল সংবাদ দেখেন অনেকেই। আর তার দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে অনেকেই। তাই ডিজিটাল মাধ্যমগুলিতে স্বচ্ছতা ও মান রক্ষিত হচ্ছে কিনা তা দেখার দায়িত্ব আইনের।

আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রকে করোনা নিয়ে তৃণমূলের নিশানা!

সংবাদমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে চলা মামলাই এরকমটাই জানিয়েছে শীর্ষ আদালত । এদিন সরকারিপক্ষের আইনজীবী সওয়ালের ভিত্তিতে জানান, “ ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমের দৌড় এখন অনেকবেশি দ্রুত । মানুষকে প্রভাবিত করার ক্ষমতাও তার বেশি । ফেসবুক, হোয়াটসআপের মাধ্যমে অনেক তাড়াতাড়ি খুব সহজেই মানুষের কাছে সংবাদ পৌঁছে যায় । তাই এনিয়ে সরকারকে অনেকবেশি সতর্ক হতে হবে।

সরকার জানিয়েছে, প্রিন্টমিডিয়া ও বৈদ্যুতিক সংবাদমাধ্যমে সমস্ত সংবাদ পেশ করার আগে চুলচেরা আইনি বিশ্লেষণ করে তবেই সংবাদ পরিবেশন হয়। তবে ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমে বাকস্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব এর কোনটাই যাচাই করা হয়না। বিষয়টি ইতিমধ্যেই পর্যবেক্ষণ করেছে কেন্দ্র । তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমের ওপর সুনির্দিষ্ট কিছু গাইডলাইন আনার দাবি জানিয়েছে কেন্দ্র।

প্রসঙ্গত , সুদর্শন টিভি নামক একটি বেসরকারি সংবাদ চ্যানেলে সংবাদমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয় সুপ্রিম কোর্টে । অভিযোগ সেই চ্যানেলে দাবি করেছিলো, সরকারি চাকরিতে মুসলমানদের অনুপ্রবেশ ঘটছে এনিয়ে তীব্র ভতসনা করে কোর্ট জানায় , ‘একটি সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে তার ওপর কোনও মিথ্যা চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়।

ডিজিটাল মিডিয়ার প্রভাব অনেক বেশি, এটা সাধারণ মানুষদের সংবেদনশীল মনকে উস্কানি দেওয়া ছাড়া আর কিছুই না।‘ এইপ্রসঙ্গেই সরকারী পক্ষের আইনজীবী জানান, ডিজিটাল মিডিয়া কে সংযত করা ও একটি গাইডলাইন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আনা প্রয়োজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x