কেন্দ্রকে করোনা নিয়ে তৃণমূলের নিশানা!

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ কেন্দ্রকে করোনা নিয়ে তৃণমূলের নিশানা! করোনা মোকাবিলায় নিয়ে রাজ্যসভায় আলোচনা হয়। সেই আলোচনা সভায় তীব্র আক্রমণ করল তৃণমুল। নরেন্দ্র মোদির সরকার কে। কেন্দ্র ব্যর্থ করোনা মোকাবিলায়, সরাসরি অভিযোগ সংসদের উচ্চকক্ষের তৃণমূলের দলনেতা ব্রায়েন ও ডেরেক এর। সেই সঙ্গে তাদের দাবি,এই অতিমারীর সঙ্গে মোকাবিলা করেছেন দক্ষতার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

আরও পড়ুনঃ ফের নিম্নচাপ, রবিবার থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা বঙ্গে !

দেশে দ্রুত গতিতে বাড়ছে করোনা সংক্রমনের হার। সংক্রমণ আটকানো যাচ্ছে না কোনোভাবেই। এ হেন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রকে অভিযুক্ত করে ডেরেকের বক্তব্য, “ধারাবাহিক ভাবে যদি দেখা যায়, বোঝা যাবে কেন্দ্রীয় সরকার কোভিড মোকাবিলায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ। আপনারা কি আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন?” এই প্রসঙ্গে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। ডেরেক এর কথায়, ‘‘আমরা আন্তর্জাতিক পরামর্শদাতা কমিটি গঠন করেছি। অতিমারি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছি। সমস্যা হল, সুসময়ে কেন্দ্র সব কৃতিত্ব নেয়। কিন্তু সঙ্কটকালে আপনারা মুখ্যমন্ত্রীদের সমালোচনা শুরু করেন। গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা থামিয়ে দেন। রাজ্যের ভাল কাজগুলি থেকে শিক্ষা নিন।’’

এছাড়াও ,বারবার অভিযুক্ত করে তৃণমূলের নেতৃত্বরা বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে দুর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে অপরিকল্পিত লকডাউন এ। ডেরেক আরো বলেন,“পশ্চিমবঙ্গে কখনও পূর্ণাঙ্গ লকডাউন হয়নি। কমবেশি করে লকডাউন করেছি। ফুলের দোকান-সহ অনেক কিছুই খোলা ছিল। আপনারা কি অসংগঠিত ক্ষেত্রে এবং পরিযায়ী শ্রমিকদের কাছে অর্থ পৌঁছে দিয়েছেন? বাংলায় যতটা পেরেছি করেছি।” তিনি কেন্দ্রকে পরামর্শ দিয়ে বলেন, মোদি সরকার বিনামূল্যে কোভিড পরীক্ষার কাজ চালু করুক প্রত্যেক বাড়ি বাড়ি পৌঁছে ও শিক্ষা নিয়ে স্বাস্থ্যবীমা করুক মমতা প্রশাসনের থেকে।

কেন্দ্রকে করোনা নিয়ে তৃণমূলের নিশানা! ডেরেক ছাড়েননি প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি র ময়ূরকে খাওয়ানোর ভিডিও নিয়েও। তার বক্তব্য,‘‘পূর্বাঞ্চলের ছোটখাটো চেহারার নেত্রী, তিনি দেশের একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি রাস্তায় চকের দাগ দিয়ে আমজনতাকে বোঝাতে চেয়েছেন শারীরিক দূরত্বের এখন প্রয়োজন রয়েছে। এটি অতিমারির একটি ছবি। অপর ছবিটি হল, একটি বাগান এবং একটি ময়ূরের!”

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত