বিবাহিত হয়েও অন্য সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে থাকা বেআইনি। এমন ঘটনায় পরিবারের মানহানি হয়। এমনই কারণ দেখিয়ে বিবাহিত অথচ লিভ-ইন করা যুগলকে পুলিশি রক্ষাকবচ দিতে অস্বীকার করল পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাই কোর্ট। পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের বিচারপতি সন্দীপ মুদগল তাঁর পর্যবেক্ষণে জানিয়েছেন, সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদে জীবনের অধিকার ও ব্যক্তিস্বাধীনতার উল্লেখ রয়েছে সেখানে ব্যক্তিকে সসম্মানে বাঁচতে দেওয়ার কথারও উল্লেখ রয়েছে।

কিন্তু আবেদনকারীরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় পরিবারের বদনাম হচ্ছে। সঙ্গে তাঁরা তাদের বাবা – মায়ের সসম্মানে বাঁচার অধিকার হরণ করছেন। একথা বলে ৩ জোড়া সহবাসসঙ্গীকে পুলিশি নিরাপত্তা দিতে অস্বীকার করেন বিচারপতি। চল্লিশোর্ধ্ব এক মহিলা ও তঁার লিভ-ইন সঙ্গী ৪৪ বছর বয়সি এক ব্যক্তি আইনি রক্ষাকবচ চেয়ে আদালতে আর্জি জানিয়েছিলেন।



দাবি ছিল, তাদের পরিবারের সদস্যরা তাদের লিভ-ইন সম্পর্কে বাধা দিচ্ছেন। এমনকী হুমকি পর্যন্ত দিচ্ছেন। এই মামলার রায়ে এই কথা বলেন বিচারপতি সন্দীপ মুদগল। তিনি আরও বলেন, “বিয়ে হল আইনি পরিণতি এবং মহান সামাজিক সম্মানের সাথে একটি পবিত্র সম্পর্ক। আমাদের দেশ, এর গভীর সাংস্কৃতিক উত্সের সাথে, নৈতিকতা এবং নৈতিক যুক্তির উপর একটি উল্লেখযোগ্য জোর দেয়। যাইহোক, আমরা পশ্চিমা সংস্কৃতি গ্রহণ করতে শুরু করেছি, যা ভারতীয় সংস্কৃতি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ভারতের একটি অংশ একটি আধুনিক জীবনধারা গ্রহণ করেছে বলে মনে হচ্ছে, যথা, লিভ-ইন সম্পর্ক”।
বিবাহিত হয়ে লিভ-ইন সম্পর্কে থাকা বেআইনি, সাফ জানিয়ে দিল আদালত

বিচারক আরও উল্লেখ করেছেন, এই ধরণের ব্যক্তিদের আবেদন মেনে নিলে বিপথগামীরা উৎসাহিত হবে। এরা বহুগামিতাকে প্ররোচনা দিচ্ছে। যা ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা অনুসারে অপরাধ।










