Live-in Relation: লিভ-ইন সম্পর্কে গার্হস্থ্য হিংসার শিকার মহিলারা, বড় রায় হাইকোর্টের

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: লিভ ইন সম্পর্কে থাকলেও মহিলারা গার্হস্থ্য হিংসার বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে, এক মামলার প্রেক্ষিতে এমনই রায় দিল কেরলের হাইকোর্ট (Kerala High Court)। মামলাকারীর আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। আরও কী কী জানাল হাইকোর্ট?

আরও পড়ুন: ‘মায়ের দেওয়া মোটা কাপড় মাথায় তুলে নে রে ভাই’ ৭৭তম স্বাধীনতা দিবসে গুগলের অভিনব ডুডল

কেরল হাইকোর্ট এই মামলার শুনানিতে বলে, কোনও মহিলা যদি পুরুষের সঙ্গে ঘরোয়া সম্পর্কে থাকেন, তিনি ওই পুরুষের দ্বারা যে কোনও রকমের হিংসার বিরুদ্ধেই গার্হস্থ্য হিংসা আইনে মামলা করতে পারেন। মামলাকারীর বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসা আইনের ১২ নম্বর ধারায় অভিযোগ আনা হয়। পারিবারিক আদালতে এই মামলার শুনানি চলছে। তার মাঝেই এই অভিযোগ খারিজ করার আবেদন নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই ব্যক্তি। সম্প্রতি এই মামলার শুনানি শুরু হয়েছিল।

লিভ-ইন সম্পর্কে গার্হস্থ্য হিংসার শিকার মহিলারা, বড় রায় হাইকোর্টের

মামলাকারী ব্যক্তির যুক্তি ছিল, অভিযোগকারী মহিলার সঙ্গে লিভ ইন সম্পর্কে ছিলেন, তাঁরা বৈবাহিক সম্পর্কে তিনি আবদ্ধ হননি। তাই একে গার্হস্থ্য হিংসা বলা যায় না। অভিযোগকারী মহিলার সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে তিনি আবদ্ধ হননি। তাই একে গার্হস্থ্য হিংসা বলা যায় না। তবে আদালত পাল্টা যুক্তি দিয়ে তাঁর আর্জি খারিজ করে দিয়েছে।

লিভ-ইন সম্পর্কে গার্হস্থ্য হিংসার শিকার মহিলারা, বড় রায় হাইকোর্টের

উল্লেখ্য, আদালত মামলাকারীর আবেদন খারিজ করে জানায়, ঘরোয়া সম্পর্ক বলতে এখানে দু’জনের মধ্যে এমন এক সম্পর্কের কথা বলা হয়েছে, যেখানে নারী এবং পুরুষ একই সংসারে থাকেন কিংবা অতীতে কোনও একসময় ছিলেন। এই সম্পর্ক বিবাহের হতে পারে। এছাড়া জন্মসূত্রের আত্মীয়তা কিংবা পারিবারিক যোগাযোগের মাধ্যমেও স্থাপিত হতে পারে।

লিভ-ইন সম্পর্কে গার্হস্থ্য হিংসার শিকার মহিলারা, বড় রায় হাইকোর্টের

লিভ-ইন সম্পর্কে গার্হস্থ্য হিংসার শিকার মহিলারা, বড় রায় হাইকোর্টের
লিভ-ইন সম্পর্কে গার্হস্থ্য হিংসার শিকার মহিলারা, বড় রায় হাইকোর্টের

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত