নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্য বনাম রাজ্যপালের সংঘাত নতুন কিছু নয়। কিন্তু সাম্প্রতিককালে রাজ্যপালের আচরণে অসন্তুষ্ট মুখ্যমন্ত্রী। এমনকি ব্লক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। রাজ্যপালকে টুইটারে ব্লক করে দিয়েছেন। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘‘আমি রাজ্যপালকে টুইটারে ব্লক করে দিয়েছি। ব্লক করতে বাধ্য হয়েছি।’’
আরও পড়ুনঃ School-College Reopening: ৩ তারিখ থেকে খুলবে স্কুল-কলেজ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর


মমতা বলেন, রাজ্যপালের কাছে বহু ফাইল আটকে রয়েছে। রাজ্যপালের সঙ্গে গিয়ে আমি দেখা করেছি। কথা বলেছি। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি।তাঁর সংযোজন, ‘‘বাম জমানায় যখন রাজ্যপাল ছিলেন ধর্মবীর, তখন তিনি কিছু ফাইলে সই করেননি। তা নিয়ে আন্দোলন হয়েছিল। শেষমেশ তাঁকে সরে যেতে হয়েছিল। আমরা তো দেড় বছর ধরে সহ্য করছি। চার বার ধরে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছি কিন্তু কোনও লাভ হয়নি”।
উনি প্রতিদিন আমাকে ট্যুইট করে গালাগালি দেন। আমাদের প্রশাসনিক আধিকদের গালাগালি করেন। অসাংবিধানিক কথাবার্তা বলেন। প্রতিদিন তিনি উৎসাহ করছেন অশান্তি ছড়ানোর। বিধানসভা থেকে সংসদে এবিষয়ে সরব হবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। পেগাসাস রাজভবন থেকে চলছে। কটাক্ষ মমতার।
গত কয়েকদিন ধরে রাজ্য বনাম রাজ্যপালের সংঘাত চরমে পৌঁছে গিয়েছিল। বিধানসভায় গিয়ে রাজ্যপালের বক্তব্য নিয়ে তাঁর বক্তব্য জানতে চাইলেই সুর সপ্তমে চড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই রাজ্যপালকে ট্যুইটারে ব্লক করার কথা উল্লেখ করলেন তিনি।


রাজ্যপালের আচরণে অসন্তুষ্ট মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল ব্লকলিস্টে

ঘটনাচক্রে, সোমবারই রাজ্য-রাজভবন সংঘাত পৌঁছে গিয়েছে দিল্লির দরবারে। সরাসরি রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কাছে ধনখড় সম্পর্কে নালিশ জানিয়েছেন লোকসভায় তৃণমূলের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্রের স্বার্থে রাজ্যপাল বদল করা দরকার। সেন্ট্রাল হলের শুভেচ্ছা জ্ঞাপনে সরব হলেন তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা।
রাজ্যপালের দ্বারা উত্থাপিত প্রশ্ন থেকে পালিয়ে বেড়াতে ট্যুইটারে ব্লক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাল্টা তোপ দেগেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রাজ্যের সংবিধানের পক্ষে কাজ করছেন রাজ্যপাল দাবী সুকান্তর। সংবিধানের গণ্ডির মধ্যে থেকে কাজ করাই ভালো।







