বিতর্ক শব্দটা যেন তাঁর পিছু ছাড়তে চায় না। কথা হচ্ছে, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে (Humayun Kabir) নিয়ে। নানান সময়ে বিস্ফোরক সব মন্তব্য করে তৃণমূল শিবিরের মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছেন তিনি। শনিবার যদিও একেবারে অন্য সুর শোনা গেল দাপুটে নেতার গলায়। সাফ জানালেন, দিদি অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) যদি ভরসা করে তাঁকে লোকসভার টিকিট দেন তাহলে বহরমপুর কেন্দ্র থেকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে (Adhir Ranjan Chowdhury) ২ লক্ষ ভোটে হারানোর ক্ষমতা তিনি এখনও রাখেন।
আরও পড়ুন: ফ্ল্যাট প্রতারণা কাণ্ডে নয়া মোড়? যশকে সঙ্গে নিয়ে আদালতে সশরীরে হাজিরা নুসরতের


প্রসঙ্গত, শুক্রবার কালীঘাটের বাড়িতে মুর্শিদাবাদের তৃণমূল জেলা নেতৃত্বকে নিয়ে বৈঠকে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই হুমায়ুন কবীরকে শাসন করেন নেত্রী। সাফ বলেন, তুমি একটু প্রেসের সামনে কম কথা বলো! আসলে, এর আগে একাধিকবার দলবিরোধী মন্তব্য করে শাসকদলকে বিপাকে ফেলেছেন তিনি। যদিও কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়েই স্বমহিমায় ফেরেন হুমায়ুন। বৈঠকে মমতা কী বলেছেন তা গড়গড় করে বলে দেন সংবাদমাধ্যমকে!

আর আজ আবার সুর বদলালেন হুমায়ুন। ক্ষোভের বিষয়ে জানালেন, “ক্ষোভার কোনও জায়গা নেই। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা করি। যখন বাচ্চা বাচ্চা ছেলে বেফাঁস কথাবার্তা বলে তখন সহ্য করতে পারি না! দিদি যখন আমাকে ভরসা করে লোকসভায় টিকিট দেন তাহলে বহরমপুরে অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে ২ লক্ষ ভোটে হারাব।”



মমতার কাছে লোকসভার টিকিট প্রার্থনা, বহরমপুরে অধীরকে ২ লক্ষ ভোটে হারানোর হুঁশিয়ারি হুমায়ুনের
পাশাপাশি আরও বলেন, “মুর্শিদাবাদ জেলার একসময় অনেক বড় ভূমিকা ছিল। যেটা আস্তে আস্তে কমছে। আমার সেই নিয়েই আক্ষেপ। মুর্শিদাবাদ জেলা বাংলাকে দিশা দেখাবে সেই অবস্থায় আসা উচিৎ। এখন জেলার নেতৃত্বরা আমাকে ভুল ট্রিটমেন্ট করে। সেটা আমি মন থেকে মেনে নিতে পারব না।”








