নজরবন্দি ব্যুরোঃ অনেক সময়েই বিবাহিত জীবন সমস্যার মধ্যে দিয়ে যায়। দেখা যায় যৌন জীবনে উভয় সঙ্গীই নিজেদের উপর থেকে আগ্রহ হারাচ্ছেন। তখন মন খারাপ করেন তাঁরা। যৌনজীবন একদিকে যেমন উদ্দীপক, উত্তেজক হতে পারে, তেমনই হতে পারে একঘেয়ে। বিশেষত দীর্ঘদিনের বিবাহিত জীবনে সেই একঘেয়েমি তো আসতেই পারে। সেই এক মিশনারি পজিশন কার ভাল লাগে? তবে একঘেয়ে যৌনজীবনকে করে তুলুন চাঙ্গা। এই পদ্ধতিগুলো চেষ্টা করলেই আপনাকে আর পায় কে!
আরও পড়ুনঃ রেকর্ড বিক্রি জাতীয় পতাকার, ‘হর ঘর তিরঙ্গা’য় লক্ষীলাভ ব্যবসায়ীদের।


এখনও এই বিষয় নিয়ে কথা বলতে দ্বিধা বোধ করেন অনেকেই। যৌনজীবন নিয়ে আলোচনার জন্য তাড়াহুড়ো করবেন না একেবারেই। বরং সঠিক সময়, সঠিক জায়গা এবং সঠিক সুযোগের অপেক্ষা করুন। কারন কথায় আছে স্থান-কাল-পাত্র দেখে কথা বলতে হয়। বিভিন্ন অভিনব পজিশন আপনি চেষ্টা করতেই পারেন। কিন্তু এমনও তো হতে পারে যে আপনার স্বামী সেই সব পজিশনে স্বচ্ছন্দ নন। সেক্ষেত্রে কিন্তু আপনাকে সময় দিতে হবে।

কথা বলার আগে ভেবে নিন আপনার স্বামীর প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে। তিনি কি রেগে যাবেন? নাকি তিনি হতাশ হবেন? আবার এও হতে পারে দুটোর কোনওটাই হলেন না, তবে তিনি কষ্ট পেলেন। তাই বিচার বিবেচনা করে মাঠে নামাটা কিন্তু জরুরি। তাই অবশ্যই কথা বলার আগে ভেবে কথা বলুন। যা মনে এল বলে দিলে হবে না। আপনার সঙ্গী কী চান সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে আপনাকে।



যৌনমিলন শুধু শারীরিকই নয়, মানসিক দিক থেকেও রিলেশনশিপকে আরও মজবুত করে তোলে। কিন্তু যৌনতার তৃপ্তির কথা শুনলেই ঘাম ছুটে যায় আম-বাঙালির। আজও যৌনজীবন নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পায় ৯০ শতাংশের বেশি বাঙালি। কথা বলতে গিয়ে আপনি নার্ভাস হতেই পারেন, ভয়ও পেতে পারেন। এতে তো সমস্যার কিছু নেই। তবে বিবাহিত জীবনকে আগের অবস্থায় ফিরে পেতে কথোপকথন জরুরি।
সঙ্গীর সঙ্গে যৌনমিলনে একঘেয়েমি, কিভাবে আবার ঝড় তুলবেন বিছানায়?

সেক্স-কে আজও বাঙালি এক ট্যাবু হিসাবেই দেখে যায়। তবে সম্পর্কের গাঢ় বন্ধন মানেই যৌন মিলন। কিন্তু দীর্ঘদিন বাদে একে অপরের সঙ্গে যৌন মিলনে লিপ্ত হলেই সেই সম্পর্কে যেন একটা দুরত্ব চলে আসে। গবেষণা বলছে, সুস্থ জীবন-যাপনের জন্য যৌনমিলন করা অত্যন্ত জরুরি। সম্পর্ককে মজবুত করতে মানসিক ভাবে সংযুক্তির বিশেষ প্রয়োজন। যৌনতা এমনই একটা জিনিস যা নিয়ে অনেকেরই অনেক ফ্যান্টাসি রয়েছে। একেকজন একেকরকমভাবে যৌনতাকে উপভোগ করে।








