নজরবন্দি ব্যুরোঃ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’! সবরমতী আশ্রম থেকে ইতিমধ্যেই ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’–এর সূচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে সামিল থেকেছেন যাঁরা তাঁদের স্মরণ করার জন্য একটা উদ্যোগের সূচনা করলেন নরেন্দ্র মোদী। ৭৫তম স্বাধীনতা দিবসের ৭৫ সপ্তাহ আগেই প্রধানমন্ত্রী সূচনা করেন ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসবে’র। সেই সঙ্গেই ১৩ থেকে ১৫ অগস্ট দেশজুড়ে পালিত হবে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’।
আরও পড়ুনঃ ব্যাগ গোছানোরও সময় যেন না পায়, অনুব্রতকে বেনজির আক্রমণ শুভেন্দুর


আর এই উপলক্ষে ফ্ল্যাগ কোডেও বড়সড় রদবদল এনেছে কেন্দ্র। দিনে-রাতে সারাক্ষণ উত্তোলন করা যাবে জাতীয় পতাকা। তারপরেই স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে কলকাতায় জাতীয় পতাকার চাহিদা একেবারে আকাশছোঁয়া। বাকি আর মাত্র মাত্র সাতদিন। শুরু হয়ে গিয়েছে কাউন্টডাউন। হিড়িক বেড়েছে জাতীয় পতাকা কেনার। সকাল থেকেই একাধিক পাইকারি বাজারে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়।

রেকর্ড বিক্রিতে খুশি কলকাতার পাইকারি ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীদের কোথায়, ‘মোদীজি স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ তোলার জন্য জনগণকে আহ্বান জানিয়েছেন। এমনিতেই স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রতিবছর পতাকার চাহিদা থাকে তুঙ্গে তবে এবার সেই চাহিদা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। বাইরের একাধিক রাজ্য থেকে প্রচুর অর্ডার এসেছে। অসম থেকে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৭ লক্ষ পতাকার অর্ডার পাওয়া গিয়েছে।’



অন্য এক ব্যবসায়ী জানালেন, ‘জেলাগুলি থেকে এত অর্ডার এসেছে যে পতাকা সাপ্লাই দিয়ে শেষ করতে পারছি না, সেই সঙ্গে বাইরের রাজ্যের অর্ডার তো আছেই। জেলার পাশাপাশি বাইরের রাজ্য থেকে ব্যবসায়ীরা সরাসরি কলকাতায় চলে আসছেন, হাজার হাজার পতাকা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন’। এই বছর ২০ কোটি বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। সরকারের মতে, তরুণদের মধ্যে এতে করে দেশাত্মবোধ জাগ্রত হবে।
রেকর্ড বিক্রি জাতীয় পতাকার, ‘হর ঘর তিরঙ্গা’য় লক্ষীলাভ ব্যবসায়ীদের।

পতাকা ছাড়াও বিক্রি হচ্ছে ব্যাজ এবং গাড়িতে লাগানোর ছোট ছোট পতাকা স্ট্যান্ড-সহ নানান সামগ্রী। এদিন ওড়িশার বালেশ্বর থেকে জাতীয় পতাকা কিনতে সটান হাজির ওল্ড চায়না বাজারে। তাঁর সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, ফি বছর কলকাতা থেকেই জাতীয় পতাকা কিনে নিয়ে বিক্রি করেন তিনি। ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ উপলক্ষে এবারে জাতীয় পতাকার চাহিদাও আকাশছোঁয়া। সেই চাহিদার কথা মাথায় রেখেই পতাকা কিনতে আসা’!







