নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যে বয়ে চলেছে তাপপ্রবাহ। প্রখর তাপপ্রবাহের জেরে নাজেহাল হয়ে পড়ছে মানুষজন। আজ কলকাতার তাপমাত্রা প্রায় ৪১ ডিগ্রী। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আরও বেশ কিছুদিন থাকবে এই প্রখর তাপপ্রবাহ। তবে বৃষ্টি কবে হবে সেই নিয়ে কোন পূর্বাভাস দেয়নি হাওয়া অফিস।
আরও পড়ুনঃ হঠাৎ বেলুড় মঠে উপস্থিত হলেন রাজ্যপাল, আপ্লুত মহারাজরাও
এই প্রবল তাবপ্রবাহের জেরে বাচ্চা থেকে বুড়ো সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ছে। হিটস্টোকের সম্ভাবনা বাড়ছে। তবে সব থেকে বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছে ছোটরা। কারণ বড়োরা নিজেদের সুবিধা, অসুবিধা বুজতে পারলেও বাচ্চারা তা বোঝে না। নিজেদের যত্ন নেওয়ার অভাবে তাঁরা আরও অসুস্থ হয়ে পরে। তারমধ্যে এখনও স্কুলের গরমের ছুটি পরতে এখনও অনেক দেরি আছে। এখনও বেশ কিছুদিন চলবে বিদ্যালয়। এই সময় কীভাবে যত্ন নেবেন বাচ্চাদের?

গরমে শিশুদের হিটস্টোকের সম্ভাবনার পাশাপাশি, অত্যাধিক ঘাম, বমি এবং ডায়েরিয়ার মতো লক্ষন দেখা যায়। এর ফলে শিশুরা যে পরিমান জল পান করেন তাঁর অধিকাংশ জলই শরীর থেকে বের হয়ে যায়। ডিহাইড্রেশন জনিত সমস্যায় এর ফলে শিশুরা ভোগে।

কিন্তু কি করে বুজবেন আপনার শিশু ডিহাইড্রেশনে ভুগছে?
ডিহাইড্রেশনে ভুগলে শিশুর ঠোট এবং মুখের চারপাশ শুকিয়ে যায়। যদি শিশুর কান্নার সময় চোখ দিয়ে বেশি জল না বের হয় তাহলে বুজবেন এটি ডিহাইড্রেশনের লক্ষন। এই সময় শিশুরা সারাক্ষণ ঝিমিয়ে থাকে, খেলাধুলো কম করে। হলুদ রঙের প্রসাব করে। দু তিন ঘণ্টা অন্তর অন্তর প্রসাব না করে যদি বহু ঘণ্টা পর পর প্রসাব করে তাহলে এটি খুবই খারাপ লক্ষন।
গরমের দাবদাহে হিটস্টোকে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু কি করে বুজবেন আপনার শিশু ডিহাইড্রেশনে ভুগছে?

এই সমস্থ লক্ষন দেখা দিলেই শিশুকে আগে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। তাঁকে ঘন ঘন জল পান করাতে হবে। শিশুদের ব্যাগের মধ্যে ও আর এস গুলে সেই বোতল ব্যাগের মধ্যে রেখে দিতে হবে। শিশুকে রোজ ফল খাওয়াতে হবে। অবশ্যই ছাতা ব্যাবহার করতে হবে। প্রতিদিন ডাবের জল বা দইয়ের ঘোল খাওয়াতে হবে।



