নজরবন্দি ব্যুরোঃ আইন নেই এভাবে ট্রান্সফারের, এসএসকে ও এমএসকের চুক্তিভিত্তিক শিক্ষিকাদের আচমকা দূরে বদলির মামলায় গতকালই আদালতের তরফে বলা হয়েছিল এই প্রক্রিয়া অবৈধ। আজ রায় দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে আপাতত বদলি করা যাবে না শিক্ষিকাদের।
আরও পড়ুনঃ ভাটপাড়ায় অশান্তি রোজকার, ‘Y’ বদলে ‘Z’ ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পেলেন অর্জুন


শিক্ষকদের বদলির নির্দেশে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। সঙ্গে রাজ্যকে বলা হয়েছে আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে জমা দিতে হবে হলফনামা। এই মামলা দায়ের করেছিলেন অনিমা নাথ। ১৯ শে আগস্ট বদলি করা হয়েছে ভোকেশনাল বিভাগের শিক্ষিকা অনিমাকে। ২৪ তারিখে বিকাশ ভবনের সামনে নিজেদের বদলির নোটিসের প্রতিবাদে যেসব শিক্ষিকারা পথে নেমেছিলেন, এবং রাজ্য সরকারের নির্দেশের বিরোধীতায় বিষ পান করেছিলেন অনিমা তাঁদের মধ্যে একজন।
আইন নেই, শিক্ষক বদলিতে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ কোর্টের।

তাঁকে হুগলীর বলাগড় থেকে বদলি করা হয়েছিল সোজা মালদাতে। রাজ্যের এই নির্দেশ কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন তিনি। আজ ছিল সেই মামলার শুনানি। এখন চুক্তি ভিত্তিক শিক্ষিকাকে কোন যুক্তিতে হুগলী থেকে মালদাতে বদলি করা হয়েছে রাজ্যের কাছে তার ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছিল আদালত, সময় দেওয়া হয়েছিল আজ, বুধাবার দুপুর ১২ টা পর্যন্ত।


এমনিতেও গতকাল শিক্ষিকাদের বদলুর মামলায় আদালরের কাছে ভর্তসিত হয়েছিল রাজ্য সরকার। ফের তার পরের দিনেই ধাক্কা খেল কোর্টের রায়ে। শিক্ষিকাদের বক্তব্য ছিল অল্প বেতন, তার অপর আচমকা পরিবার ছেড়ে দূরের জেলায় বদলি করায় ওই তাকায় খাওয়া পরা চলবে কিভাবে, শিক্ষিকাদের এই প্রশ্নকে মান্যতা দিয়েছে আদালত।

রাজ্যের তরফের স্বীকার করা হয়েছে চুক্তি ভিত্তিক শিক্ষকদের বদলির জন্য কোন নিয়ম নেই। আদালতেরও বক্তব্য সেখানেই, যেহেতু অস্থায়ী শিক্ষকদের কোন নির্দিষ্ট ট্রান্সফার পলিসি নেই, তাই রাজ্যের এই নোটিস অনৈতিক। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ আগামী ৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত বদলির স্থগিতাদেশ দিয়েছে। পরবর্তী শুনানি ১৫ই নভেম্বর। একই ঘটনায় আরেক মালা চলছে বিচারপতি অরিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চে।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



