নজরবন্দি ব্যুরোঃ রবীন্দ্রনাথের ছবি খুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি টাঙ্গানো হয়েছে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ব বিদ্যালয়ে। শুধু তাই নয় হেরিটেজ বিল্ডিং ভেঙ্গে হচ্ছে তাঁর ভোলবদল, আর এই বিষয় টিকেই ভালো চোখে দেখছে না হাই কোর্ট। এবার কোলকাতা হাইকোর্ট দিয়ে দিল নির্দেশিকা, এই মুহূর্তে কাজ বন্ধ করতে হবে হেরিটেজ বিল্ডিং সংস্কারের। আর এই নির্দেশিকা না মানলে রাজ্য সকারকে জবাব দিহি করতে হবে বলে জানিয়েছে হাই কোর্ট।
আরোও পড়ুনঃ যাই ঘটুক ২৪ এও চলবে মমতা ম্যাজিক, জানিয়ে দিলেন অভিনেত্রী শতাব্দী


সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, রবীন্দ্রনাথের জন্মস্থানে নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে হবে। স্থগিতাদেশের পর কাজ চললে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন তাঁরা। ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারের তরফে হলফনামা চেয়েছে হাইকোর্ট।

হেরিটেজ ভবনের অব্যবহৃত ঘর ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন স্বদেশ মজুমদার নামে এক ব্যক্তি। এই মামলায় সওয়াল করেন আইনজীবী শ্রীজীব চক্রবর্তী। তিনি বলেন, “জোড়াসাঁকো ভবন গ্রেড ওয়ান হেরিটেজ। তাই কোনওভাবেই এই ভবনকে ভাঙা যায় না”। অবিলম্বে ভেঙে ফেলার কাজ বন্ধ রাখার আবেদন জানান। উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর এই ভবন ভাঙার উপর স্থগিতাদেশ দেয় হাইকোর্ট। আগামী ২১ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।
রবীন্দ্রনাথের বদলে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের হেরিটেজ বিল্ডিং ভাঙ্গা নিয়ে কড়া জবাব হাইকোর্টের



জানা যাচ্ছে এই হেরিটেজ ভবন অত্যন্ত পুরান। অনেক ইতিহাসের সাক্ষী এই ভবনটি। এছাড়াও তাঁদের অভি্যোগ, জোড়াসাঁকোর বাড়িতে একটি ঘরে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রথম দেখা হয়েছিল রবীন্দ্রনাথের। কিন্তু, বর্তমান শাসক দল সেটিকে নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করছে। শিক্ষাবন্ধু সমিতি নামে সংগঠনের একটি কার্যালয় খুলেছে তৃণমূল দল। শুধু তাই নয় সেখানে থাকা রবীন্দ্রনাথের বহু পুরনো ছবিও খুলে দেওয়া হয়েছে। তার জায়গায় তৃণমূল নেত্রী নেতৃত্বের ছবি টাঙানো হয়েছে। সেখানের সংস্কৃতি ভ্রষ্ট হচ্ছে বলে দাবি করেন তাঁরা।







