নজরবন্দি ব্যুরোঃ এই মুহূর্তে রাজনৈতিক দোলাচলের মধ্যে রয়েছে বীরভুম। অনুব্রত মন্ডল জেলে যাওয়ার পর থেকেই কার্যত অশান্ত বীরভুমের তৃণমূল শিবির। মাঝে মাঝেই ইডি হানায় আসছে এক একজন অনুব্রত ঘনিষ্ঠের নাম। যার ফলে সংগঠনে প্রভাব পড়ছে। এর মাঝেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় ঘটে গেল বিজয়া সম্মমেলন। যেখানে রামপুরহাট থেকে শতাব্দী রায় মন্তব্য করলেন,‘‘যতই যা হোক, পশ্চিমবঙ্গ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরই থাকবে।“
আরোও পরুনঃসিবিআইকে ম্যাজিশিয়ানের সঙ্গে তুলনা, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বক্তব্য বদল
বীরভূমের রামপুরহাটে তৃণমূলের বিজয়া সম্মেলনীর অনুষ্ঠান ছিল। সেই অনুষ্ঠান থেকে বলেন সাংসদ শতাব্দী, ‘‘সামনে ২০২৪ সাল। লোকসভা নির্বাচন রয়েছে। সেই কারণেই ’২৪ পর্যন্ত নানা ঘটনা ঘটবে। নানা কাণ্ড, নানা মিথ্যা প্রচার হবে। কিন্তু আমাদের লড়াই করতে হবে”। অবশ্য নানা ঘটনা বলে তিনি কি বঝাতে চেয়েছেন তা স্পস্ট নয়। অনুমান করা যায়, গরু পাচার, কয়লা পাচার, ইত্যাদিকে ইঙ্গিত করতে চেয়েছেন। দলের কর্মীরা যাতে উদ্বিগ্ন না হয়ে মন দিয়ে কাজ করে সেকথায় বলেন তিনি।

তৃণমূল সাংসদ শতাব্দীর সংযোজন, ‘‘কিছু দিন পর পঞ্চায়েত ভোট। তার পর লোকসভা ভোট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ভাবে রাজ্যের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন, তা রক্ষা করছেন। আমাদের কর্তব্য, তাঁকে সমর্থন করা। শুধু নিজেদের কাজ করে যাওয়া।যে যে পদে থাকবেন, তাঁকে তাঁর নিজের কাজটুকু দায়িত্ব সহকারে করতে হবে। এর পরেই জয় নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন ‘‘যে যা-ই বলুন, পশ্চিমবঙ্গ মমতারই থাকবে।’’
যাই ঘটুক ২৪ এও চলবে মমতা ম্যাজিক, জানিয়ে দিলেন অভিনেত্রী শতাব্দী

শতাব্দীর মতে মানুষের ভালবাসাই আসল ভোট বাক্স। গরু চুরি মামলায় জেলে যাওয়ার পরেও দল অনুব্রতের প্রতি আস্থা রেখেছেন। সংগঠনের নায়ক, কখনও বাঘ বা কখনও তাঁর ভাগ্যে জুটেছে বীরের তকমা, ফলে জেলে থাকলেও এখনও বীরভূমের সংগঠক অনুব্রত। আর আজ তাঁর হয়েই সুর মেলালেন বীরভূমের তিন বারের সাংসদ শতাব্দী ।



