বাইরের লোক এসে মারা যাচ্ছে, আক্রান্ত হচ্ছে! কমে গেল কনটেনমেন্ট জোন!

বাইরের লোক এসে মারা যাচ্ছে, আক্রান্ত হচ্ছে! কমে গেল কনটেনমেন্ট জোন!

নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাইরের লোক এসে মারা যাচ্ছে আক্রান্ত হচ্ছে! কমে গেল কনটেনমেন্ট জোন! গত কয়েক দিন ধরেই রাজ্যে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিন ২৪ পরগণা, হাওড়া এবং হুগলী তে কার্যত বেলাগাম করোনা ভাইরাস। বাদ নেই উত্তরের জেলা গুলিও, সংকট জনক পরিস্থিতি মালদা, দক্ষিন দিনাজপুর এবং দার্জিলিং-এ। আজকের বুলেটিনে রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৬৯০ জন!

আরও পড়ুনঃ দক্ষিনের সাথে পাল্লা দিচ্ছে উত্তরবঙ্গ, দেখুন আপনার জেলার করোনা চিত্র।

বাইরের লোক এসে মারা যাচ্ছে! নতুন ১ হাজার ৬৯০ জন আক্রান্ত কে নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬ হাজার ১১৭ জন। এদিনের বুলেটিনে রাজ্য সরকার জানিয়েছে সার্বিক ভাবে গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু বেড়েছে আরও ২৩ টি। যা নিয়ে রাজ্যে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০২৩। কলকাতায় এদিন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৯৬ জন, এবং মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। কোলকাতায় মোট সংক্রামিত হয়েছেন এখন পর্যন্ত ১১ হাজার ৪৭১ জন। কলকাতায় এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৩৭ জনের। অন্যদিকে কলকাতায় এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬ হাজার ৪২২ জন। এই মুহুর্তে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪ হাজার ৫১২ জন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল গত ৮ তারিখে কলকাতায় সংক্রামিত ছিলেন ৮ হাজার ৩৬৮ জন সেখানে ১৬ তারিখে ১১ হাজার ৪৭১ জন।

কলকাতার এই চরম সংকটজনক পরিস্থিতিতে কলকাতার কন্টেনমেন্ট জোন কমিয়ে দিল স্বাস্থ্য দফতর! গত ১১ই জুলাই কলকাতায় কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা ছিল ২৮ আর এদিন সেটা এক ধাক্কায় কমিয়ে দেওয়া হয়েছে ২৪! এই নজিরবিহীন সিদ্ধান্তে চোখ কপালে উঠেছে অনেক স্বাস্থ কর্তার! কারন গত ৮ দিনে কলকাতায় মারা গেছেন ৮০ জন, সংক্রামিত হয়েছেন প্রায় ৪ হাজার মানুষ সেখানে এমন সিদ্ধান্ত কলকাতার মানুষ কে আরও মৃত্যু মুখে এগিয়ে দেওয়ার সামিল। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, “কলকাতায় অন্য রাজ্য ও জেলা থেকে লোকজন চিকিৎসা করাতে এসে আক্রান্ত হচ্ছেন মারা যাচ্ছেন!” মুখ্যমন্ত্রীর এই অদ্ভুত যুক্তিতে ঢোক গিলেছে স্বাস্থ্য কর্তারা।

পাশাপাশি এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, “করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও ভয়ের কিছু নেই। সুস্থতার হার বেশি। তবে জনসাধারণকে আরও সচেতন হতে হবে।  তিনি ঘোষণা করেন জায়গা না দিলে মানুষের চিকিত্‍সা কী করে হবে? আরও চার হাজার বেড বাড়ছে রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে।”‌ মুখ্যমন্ত্রী আজ বলেন, “একটা কমিউনিটি সেন্টার পাচ্ছি না। আমার পাড়ায় করা যাবে না। কোভিড আক্রান্ত হলে কী করবে? কারও পাড়ায় কোভিড সেন্টার থাকবে না, সেফ হাউজ থাকবে না! কারও পাড়ায় দেহ পোড়ানো যাবে না! প্রতিদিন যদি ৩০ জন মারা যায়, কী হবে? ধাপায় একটাই চুল্লি। তা-ও খারাপ হচ্ছে। টাকা দিচ্ছি, সাতদিনে আর একটা চুল্লি তৈরি করে দিন।”

প্রসঙ্গত গত কয়েক দিন ধরেই রাজ্যে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিন ২৪ পরগণা, হাওড়া এবং হুগলী তে কার্যত বেলাগাম করোনা ভাইরাস। বাদ নেই উত্তরের জেলা গুলিও, কার্যত সংকট জনক পরিস্থিতি মালদা, দিনাজপুর বা দার্জিলিং জেলাতেও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x