নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের মুখে রহস্যময়ী নারী হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম উঠে আসার পরেই তাঁর ওপর নজর পড়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। হৈমন্তী সম্পর্কে তদন্ত করতে গিয়ে বিস্ফোরক তথ্য উঠে এল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ১১ রাজ্যে ১০৪ টি সংস্থার মালিকানা রয়েছে হৈমন্তীর নামে। সেই সমস্ত কোম্পানির তথ্যতালাশে নামল সিবিআই ও ইডি।


জানা গেছে, এই ১০৪ টি সংস্থায় মোট ৩০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। তবে তা একেবারে হয়নি। বিনিয়োগ হয়েছে ধাপে ধাপে। তবে বেশীরভাগ সংস্থা তৈরি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গেই। সিবিআই আধিকারিকরা জানতে চাইছেন, এই ১০৪ টি সংস্থার মালিকানা কাদের হাতে রয়েছে? এদের আর্থিক লেনদেন কত? এই সংস্থাগুলিতে কারা চাকরি করেন? এই বিপুল অঙ্কের টাকা কীভাবে বিনিয়োগ হত? এবিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

জানা গেছে, পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি, মধ্যপ্রদেশ, কর্ণাটক, ওড়িশা সহ একাধিক রাজ্যে আর্থিক লেনদেন হয়েছে। এমনকি মুম্বইতেও একটি কোম্পানির হদিশ আগেই পেয়েছে সিবিআই। শীঘ্রই সমস্ত জায়গায় ইডি ও সিবিআই অভিযান চালাবে বলেই জানা গেছে।
১১ রাজ্যে ১০৪ টি সংস্থার মালিকানা রয়েছে হৈমন্তীর নামে, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের মুখে হৈমন্তী গঙ্গপাধ্যায়র নাম শোনা যায়। যিনি গোপাল দলপতি ওরফে আরমান গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রাক্তন স্ত্রী বলেই জানা যায়। কুন্তলের বক্তব্য ছিল, বিপুল অঙ্কের টাকা লেনদেন হয়েছে হৈমন্তীর সঙ্গে। যার সঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতির যোগ রয়েছে। যদিও গোপাল দলপতির বক্তব্য, নিজেরা বাঁচতে হৈমন্তীর নাম জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আসল অভিযুক্ত কুন্তল। ইতিমধ্যেই দুই পক্ষের মধ্যে অভিযোগের টানাপোড়েনের মধ্যে বিপুল সম্পত্তির হদিশ পেতেই নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।









