নজরবন্দি ব্যুরোঃ এর আগে জম্মু-কাশ্মীরের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। এবার কংগ্রেসের সমস্ত দলিয় পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবীদ গুলাম নবী আজাদ। জানালেন, দেশের জন্য যা ভাল, তা করতে ব্যর্থ হয়েছে কংগ্রেস। ইস্তফা চিঠিতে ইন্দিরা ঘনিষ্ঠতার কথা তুলে ধরেন তিনি। একইসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, বর্তমানে কংগ্রেস পার্টির পরিস্থিতি যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, সেখান থেকে আর ফিরে আসার কোনও অবকাশ নেই। হাত ছাড়লেন গুলাম নবি আজাদ, এরপর কে?
Congress leader Ghulam Nabi Azad severs all ties with Congress Party pic.twitter.com/RuVvRqGSj5
Latest Newsঅসমে হিমন্ত ফেরার পথে? কেরলে বাম দুর্গ টলছে—চার রাজ্যে কী বলছে এক্সিট পোলএবার মোদী না ফের দিদি? কী বলছে নজরবন্দির এক্সিট পোল— ANI (@ANI) August 26, 2022
আরও পড়ুনঃ Mohun Bagan: মোহনবাগানের নাম থেকে সরছে এটিকে! খুশি সমর্থকরা


২০২০ সালের অগস্টে যে ২৩ জন নেতা কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীকে চিঠি দিয়ে দলীয় নির্বাচন এবং স্থায়ী সভাপতি নিয়োগের দাবি জানিয়েছিলেন, সেই জি-২৩ শিবিরের একাধিক নেতারাই একে একে দল ছাড়ছেন। যাদের মধ্যেই অন্যতম কপিল সিবাল, গুলাম নবী আজাদ। আগামী দিনে কী পদক্ষেপ নেবেন আনন্দ শর্মা? সেদিকেও তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।
দীর্ঘ চিঠিতে কংগ্রেসের এই দুরাবস্থার জন্য রাহুল গান্ধীকে দোষারোপ করেছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাঁর কথায়, ২০১৪ সালের নির্বাচনে হারের পরেও ফিরে আসা যেত। ২০১৩ সালে তাঁকে সহ-সভাপতি পদে নিযুক্ত করার পরেই গোটা সিস্টেমটাই ভাঙতে শুরু করেছিল। একাধিক নেতাদের সাইডলাইন করা হয়েছে। নতুনদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাঁদের অভিজ্ঞতা কম হওয়ার সমস্যায় পড়তে হচ্ছে দলকে।

সরাসরি রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে তোপ দেগে গুলামের বার্তা, রাহুল গান্ধীর শিশুসুলভ আচরণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আরও সুবিধে করে দিচ্ছে। যেটার ফায়দা তুলে ২০১৪ থেকে এখনও অবধি দেশজুড়ে দক্ষিণ পন্থী সরকারের আধিপত্য কায়েম রয়েছে।
তাঁর সংযোজন, গত ২০১৪ সাল থেকে দুটি লোকসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে কংগ্রেস। প্রায় ৩৯ টি বিধানসভায় পরাজিত হয়েছে দেশের সবচেয়ে পুরাতন দল। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি রাজ্যে জোটের মাধ্যমে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে কংগ্রেস। এই মুহুর্তে মাত্র দুটি রাজ্যে রয়েছে কংগ্রেসের সরকার। বাকি দুই জোট হিসাবে তাহকতে হয়েছে তাঁকে।
হাত ছাড়লেন গুলাম নবি আজাদ, কংগ্রেসের অবস্থার জন্য রাহুলকে দুষলেন

একে একে জি-২৩ শিবিরের নেতাদের ইস্তফা রীতিমতো চিন্তায় ফেলেছে কংগ্রেসকে। এরই মধ্যে সভাপতি নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ার কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে শুরু করেছে। আগামী দিনে কী পদক্ষেপ নেবে দল?এখন সেটাই দেখার।









