মমতা কে জোড়া ধাক্কা ধনখড়ের! অভিযোগ সত্যি হলে বিপদে পড়বে তৃণমূল।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ মমতা কে জোড়া ধাক্কা ধনখড়ের। বছরের শুরুতে অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র ঘোষণা করেছিলেন যে বিশ্ব বাণিজ্য সম্মেলন ১৫-১৭ ডিসেম্বর আয়োজিত হবে। বিশ্ব বাণিজ্য সম্মেলনের (Bengal Business Summit) ব্যয়ের হিসেব চাইলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এর আগে একই হিসেব নবান্নের কর্তাদের থেকে চেয়েও কোনও জবাব পায়নি রাজভবন। তাই এবার অর্থমন্ত্রীর কাছ থেকে হিসেব চেয়ে পাঠালেন রাজ্যপাল।

আরও পড়ুনঃ চরম শঙ্কটের মুখে ৪০ হাজার গ্রাহক সহ ৬০ জন ব্যাঙ্ক কর্মী।

রাজ্যপালের অভিযোগ যে সরকার সত্যি লুকোতে চাইছে। জানা গিয়েছে, পয়লা অগাস্ট একই দাবিতে মুখ্য সচিব (অর্থ)-এর থেকে জবাবদিহি তলব করেছিলেন রাজ্যপাল। আর্থিক বরাদ্দ নয়ছয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এই উদ্যোগ নিয়েছেন রাজ্যপাল। যে পরিমাণ টাকা খরচ করে সরকার এই বাণিজ্য সম্মেলন করা হয়, তার তুলনায় খুবই কম বিনিয়োগ হয়। আর এই জায়গাতে প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যপাল। ২০১৫ থেকে চলছে এই বাণিজ্য সম্মেলন।

শনিবার টুইট করে রাজ্যপাল জানান যে,বিশ্ব বাণিজ্য সম্মেলনের ব্যয় সংক্রান্ত হিসেব চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দফতর ও মুখ্যসচিব (অর্থ)-এর থেকে হিসেব চেয়েও তিনি পাননি । তাই অর্থমন্ত্রীর কাছ থেকে ফের হিসেব চেয়ে আবেদন করলেন। সরকারকে প্রশ্ন করলেন কেন এত লুকোচুরি। এই বাণিজ্য সম্মেলন নিয়ে এর আগে সিপিআইএম, কংগ্রেস, বিজেপি অর্থাৎ রাজ্যের বিরোধী দলগুলো সরব হয়েছে আগেই।

মমতা কে জোড়া ধাক্কা ধনখড়ের। অন্যদিকে আর একটি ট্যুইটে রীতিমত বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন রাজ্যপাল। কেন্দ্রের প্রকল্প থেকে কৃষকদের বঞ্চিত করছে রাজ্য সরকার বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। ট্যুইটে তিনি লিখেছেন, ”এটা দেখে সত্যিই খুব খারাপ লাগছে যে, আমাদের রাজ্যে ৭০ লক্ষ কৃষককে এখনও পিএমকিসান প্রকল্পের সুবিধা পেতে দেওয়া হচ্ছে না। কৃষকরা ইতিমধ্যেই ৮ হাজার ৪০০ কোটি টাকা হারিয়েছেন, যা তাঁদের ন্যায্য প্রাপ্য।পিএমকিসান একটি কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্প, যার ১০০ শতাংশ খরচ কেন্দ্রই বহন করে এবং এই প্রকল্প ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে চলছে। এই প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা সরাসরি প্রাপকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয় সুতরাং কাউকে কমিশনও দিতে হয় না।”

এখানেই থামেননি ধনখড়, তিনি আরও লিখেছেন ” রাজ্য সরকারের কাজ হল শুধু কৃষক পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করা, কিন্তু রাজ্য তা করছে না।” তাঁর কোথায়, “আমি বুঝতে পারছি না, কেন রাজ্য সরকার এটা করছে না।” রাজ্যপালের মতে, ‘‘কৃষকদের নিয়ে  নিষ্ঠুর রসিকতা এবং ঐতিহাসিক অবিচার করছে রাজ্য সরকার।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর