নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিধানসভা নির্বাচনে মেজোবোন নন্দীগ্রামকেই বেছে নিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। আন্দোলনের পৃষ্ঠভূমি নন্দীগ্রামে সেবার শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু নিজের দেওয়া কথা রাখতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। নন্দীগ্রামের জন্য বড় উপহার আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে নন্দীগ্রাম ও হলদিয়ার মধ্যে সংযোগকারী সেতু তৈরির কাজ। সেকথা ঘোষণা করলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।
আরও পড়ুনঃ Menoka Gambhir: মেনকার রক্ষাকবচের আবেদন খারিজ, নতুন সমস্যায় অভিষেক শ্যালিকা


তৃণমূল মুখপাত্রের কথায়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভা ভোটের সময় বলেছিলেন নন্দীগ্রামে তিনি বহু কাজ করবেন। এবার হলদিয়া-নন্দীগ্রাম সেতু রাজ্য তৈরি করবে। এটা ঘোষণা করা হল। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গিয়েছে৷ বর্তমানে নন্দীগ্রাম এবং হলদিয়ার মধ্য়ে যাতায়াত খুবই কষ্টকর। দীর্ঘদিনের দাবি ও চাহিদা ছিল৷

তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী নন্দীগ্রাম-হলদিয়ায় বহু প্রতীক্ষিত সেতু উপহার দিতে চলেছেন। ডিপিআর তৈরির কাজ শুরু হল। বহুদিন ধরেই এই সেতু চাইছিলেন সেখানের মানুষ৷ বিপুল রাস্তা ঘুরতে হত৷ জলযানের উপর নির্ভরশীল হতে হয়৷ এবার সেতু হলে মানচিত্র বদলে যাবে। অর্থনৈতিক অবস্থা বদলে যাবে৷



তাঁর কথায়, আগামীকাল নন্দীগ্রামের শহীদ দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠান রয়েছে। তার আগে বিরাট ঘোষণা করল শাসক দল। এটা পঞ্চায়েত ভোটের আগে মোড় ঘোরানোর চেষ্টা নয় তো? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই প্রতিশ্রুতি পূরণ, বিরাট পদক্ষেপ নিল সরকার

কারণ, গত বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে পূর্ব মেদিনীপুরে বেড়েছে পদ্ম শিবিরের দাপট। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রাম সহ পূর্ব মেদিনীপুরে সংগঠনের জল মাপতেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কুণাল ঘোষকে। দিনরাত কাঁথিতে থেকে শুভেন্দুর পরিকল্পনা বানচাল করার চেষ্টা করছেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে চলেছে ঘাসফুল শিবির।








