নজরবন্দি ব্যুরোঃ শুধুমাত্র চিঠি দিয়ে চুপ থাকলেন না। এবার আমরণ অনশনের ঘোষণা করলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার নেতা বিমল গুরুং। আগামীকাল থেকেই গোর্খা জনমুক্তি যুব মোর্চার তরফে আমরণ অনশন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। দার্জিলিং ম্যালেই চলবে অনশন কর্মসূচী।
আরও পড়ুনঃ দেশে ১২০ টাকা পার করল পেট্রল, কলকাতায় কত?
রাজনৈতিক স্থায়ী সমাধানের আগে জিটিএ নির্বাচন নয়। এই বার্তা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া চিঠি দেন বিমল গুরুং। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ২০১১ সালের চুক্তি অনুযায়ী স্থায়ী সমস্যার সমাধান চাইলেন বিমল গুরুং। সেইসঙ্গে দাবী করলেন আরও বেশী ক্ষমতার। উত্তরবঙ্গের ৩৯৬টি মৌজাকে জিটিএ’র অধীনে আনার দাবিও রেখেছেন তিনি। এখন গুরুংদের বক্তব্য ২০১১ সালে রাজ্য সরকার যে সমস্ত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, এখনও অবধি তার কিছুই পালন করেনি। সেইস্মস্ত ক্ষতা জিটিএ এর হাতে তুলে দিলে তবেই নির্বাচন হবে বলেও দাবী গুরুংয়ের। এ জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক চান তিনি।

তৃণমূলের উদ্দেশ্যে গুরুংয়ের বার্তা, এখন তাঁরা বিজেপির সঙ্গী নয়, তৃণমূলের সঙ্গী। এই জোট যাতে অক্ষত থাকে তার জন্য পাহাড়ের স্থায়ী সমাধান করতে হবে তৃণমূলকে। সেইসঙ্গে তাঁর বক্তব্য ছিল, জোর করে জিটিএ নির্বাচন ঘোষণা হলে আমি আমরণ অনশনে বসব। আমি আজই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে চিঠি লিখে পাহাড়ে স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান এবং অবিলম্বে জিটিএর হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবী জানিয়েছি। তা না হলে নির্বাচন ঘোষণা করা যাবে না।
লতি বছরেই দার্জিলিং সফরে গিয়ে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে জিটিএ নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সকলে রাজি থাকলেও একাধিক শর্ত রেখেছিল গুরুংপন্থী গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। এখন স্পষ্ট জানিয়ে দেন তিনি নির্বাচনের পক্ষে নয়। একেবারে দিনক্ষণ ঘোষণা করে দিলেন গুরুং নিজেই।
শুধুমাত্র চিঠি দিয়ে চুপ থাকলেন না, অনশনে বসছেন গুরুং

২০১৭ সালের জিটিএ নির্বাচনের কথা উঠলে পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবীতে সরব হয়েছিল গুরুং। সেবার উত্তপ্ত হয় পাহাড়। তারপর অন্তরালে থেকেই বিজেপিকে সমর্থন জানিয়ে গেছেন তিনি। ২১ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের সঙ্গে হাত মেলান। এবার জিটিএ নির্বাচনের কথা উঠলে ফের বিরোধীতায় সরব হয়েছেন বিমল গুরুং।



