নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রথমবারের জন্য জি-২০ সম্মেলন আয়োজন করল ভারত। নয়া দিল্লির নয়াদিল্লির প্রগতি ময়দানের ভারত মণ্ডপম কনভেনশন সেন্টারে বিশ্বের তাবড় তাবড় রাষ্ট্রনায়কদের নিয়ে বৈঠক করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু কেন জি-২০ সম্মেলন এত গুরুত্বপূর্ণ ছিল? কী কী প্রাপ্তি হল এই সম্মেলন থেকে? শুধু ভারতের জন্যই নয়, গোটা বিশ্বের জন্য।
আরও পড়ুনঃ দিল্লিতে মুখোমুখি হাসিনা-মমতা, ‘একবার কলকাতায় আসুন’, আমন্ত্রণ মুখ্যমন্ত্রীর


মোট ২০টি দেশের রাষ্ট্রনায়কদের নিয়ে হয় এই জি-২০ সম্মেলন। এবারের আয়োজক ভারত। ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর দু’দিন ব্যাপী এই সম্মেলনে উপস্থিত রয়েছেন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন, ব্রিটিশ প্রাধানমন্ত্রী ঋষি সুনক, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাঁকর, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এখন দেখা যাক, জি-২০ সম্মেলন থেকে কী কী প্রাপ্তি হল।

৫ কারণ: কেন জি-২০ সম্মেলন এত গুরুত্বপূর্ণ? কী কী প্রাপ্তি হল?

প্রথম, আফ্রিকান ইউনিয়নকে জি-২০-র স্থায়ী সদস্যপদ দেওয়া। এর ফলে দরিদ্র ও অনুন্নত দেশগুলি তাদের সমস্যাকে তুলে ধরতে পারবে। ফলে, আসলে জি-২০ সম্মেলন হলেও শেষমেশ ২১টি দেশ এই সম্মেলনে অংশ নিল।


দ্বিতীয়, ভারত, আমেরিকা, ইউরোপ এবং সৌদি আরব সহ উপসাগরীয় ও আরব দেশগুলির মধ্যে জলপথ ও রেলপথে নেটওয়ার্ক। জি-২০ সম্মেলনের মঞ্চ থেকে এক ঐতিহাসিক বড়সড় প্রকল্পে সংযুক্ত হল ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউএই (সংযুক্ত আরব আমিরশাহি), ইউরোপ। রেল, বন্দর, বাণিজ্য বৃদ্ধি, শক্তি, ডিজিটাল সংযোগ সম্পর্কিত এই প্রকল্পে হাতে হাত মিলিয়েছে ইউরোপ, আমেরিকা, ইউএই এবং ভারত।
তৃতীয়, চিন ও রাশিয়ার সম্মতি নিয়েই গৃহীত হল দিল্লি ঘোষণাপত্র। এর প্রকল্পে চিনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ প্রকল্পের বিকল্প প্রস্তাআব দেওয়া আছে।
চতুর্থ, কার্বন নির্গমন বন্ধ করার লক্ষ্যে বিশ্বজনীন জৈবজ্বালানির সহযোগিতা করা হবে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
পঞ্চম, বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশগুলির মধ্যে যে ‘আস্থার অভাব’ দেখা দিচ্ছে কয়েক বছর ধরে তার মোকাবিলা করতে জি-২০ দেশগুলি পরস্পরের পাশে থাকবে এবং শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা হবে।








