নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাংলা ব্যান্ডের ইতিহাসে হাত মুঠো করে লড়াই করতে করতে পঁচিশ বছর পার হতে চলেছে ফসিলসের। বিচ্ছেদ বা প্রেমের গ্লানি, অপেক্ষা থেকে শুরু করে প্রেমের উন্মাদ প্রবৃত্তি তার এক প্রকার রূপ বলা যায় ‘ফসিলস’কে। ১৯৯৮ সালে তাও রূপম ইসলামের হাত ধরে প্রথম আগমন ফসিলস ব্যানডের। আর তারপর থেকে জয়ধ্বজা উড়িয়ে এগিয়ে চলেছে ব্যান্ডটি। আশা, আবেগকে সঙ্গী করে প্রজন্মের পর প্রজন্মের কাছে উন্মাদনার প্রতীক হয়ে উঠেছে এই ব্যান্ড। বছর শেষে ফসিলসের পঁচিশের উদযাপনে মেতেছে রক অনুরাগীরা। আগামী ৯ জানুয়ারি, ২০২৩, ফসিলসের উদযাপন সারা শহর জুড়ে।
আরও পড়ুনঃবিজেপি আমার রাজনৈতিক গুরু, কেন এমন মন্তব্য কংগ্রেস যুবরাজ রাহুলের?


‘তুমি আমার হবে’ থেকে ‘চোখের কালো চাইয়ের’ মত প্রেমের গানে, আবার একলা ঘর থেকে হাসনুহানা একাকীত্বের যন্ত্রণায় অনুরাগীদের আশ্রয় দিয়েছে ফসিলস। মহপ্রলয়ে ব্রহ্মাণ্ডের বিস্ফোরণের শুকনো ছাই ওড়ানো, আবার অনেক রক, ব্লুজ, মেটালি,হেবি প্রেমীদের কাছে শিক্ষা নেওয়ার জায়গা হয়ে উঠেছে এই ব্যান্ড। তবে বিতর্কের জায়গাও কম ছিল না। ঝড়,ঝাপ্টা পেরিয়ে বাংলা গানের ‘রক’ ধারাকে প্রবাহমান রেখেছে। ধরে রেখেছে আকাশের দিকে মুঠি উঁচিয়ে থাকা কয়েক প্রজন্মের তরুণদের।

ফসিলসের জন্মদিন উপলক্ষ্যে এক সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে জানান রূপম স্বয়ং, “ফসিলস আমাদের সন্তান। আবেগটা তাই একই রকম আছে জন্ম লগ্ন থেকে। তবে আমাকে মুগ্ধ করে শ্রোতাদের ভালবাসা। তাঁদের উন্মাদনা। এত বছর ধরে কোনও ব্যান্ডের তো আর একই অডিয়েন্স থাকতে পারে না। হয়তো শ্রোতারা বংশ পরম্পরায় আমাদের শোনেন। এখনও লোকে বলে আমি নাকি কম বয়সীদের পছন্দের গায়ক। তার মানে আমার শ্রোতারা বুড়িয়ে যান না! আমি মুগ্ধ”।
বাংলা ব্যান্ডের ইতিহাসে পঁচিশ বছর পার ফসিলসের, কবে উদযাপন সারা শহর জুড়ে



তিনি আরও বলেন, “শিক্ষক যেমন প্রতি বছর নতুন নতুন ছাত্রদল দ্যাখেন আমিও প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নবীন শ্রোতাদের দেখছি মুগ্ধ বিস্ময়ে। কালের নিয়মেই এখন প্রবীণরাও আমার শ্রোতা। এর থেকে বড় পাওনা আর কী–ই বা হতে পারে। সকলকেই আমার ধন্যবাদ”।








