অনুব্রতর ব্ল্যাকমেইল নিয়ে নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন ফিরহাদ

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: গত তিন দিন আগের ঘটনা, নির্বাচন হোক বা না হোক, নানা কাজে বিভিন্ন ভাবে তৃণমূল সুপ্রিমো বুঝিয়ে দিয়েছেন দলের রাশ এখনো তাঁর হাতে। সিদ্ধান্তে এখনো সিলমোহর দেন তিনিই। সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেই নাকি ব্ল্যাকমেইল করছেন কেষ্ট দা, অর্থাৎ অনুব্রত মণ্ডল। যদিও পুরো ঘটনার সূত্রপাত একটি লাইভ ভিডিও থেকে। যেখানে দেখা গেছে ফিরহাদ হাকিম বলছেন অনুব্রত নাকি প্রার্থী বাছাইয়ে জোর খাটিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর।

আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয় দফার ভোটে নন্দীগ্রাম সহ সব কেন্দ্রে রেড অ্যালার্ট জারী করল কমিশন

গত সোমবার কলকাতা বন্দর এলাকায় ৭৮নং ওয়ার্ডে একটি কর্মীসভায় যোগ দিয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিম। আর সেখানে তিনি যা বক্তব্য রাখেন, তার লাইভ ভিডিও করেন কোনো এক কর্মী। তাতে দেখা গেছে ফিরহাদ বলছেন, নলহাটির বিদায়ী বিধায়ক মঈনউদ্দিন শামসকে টিকিট না দেওয়ার একমাত্র কারণ হলেন অনুব্রত মণ্ডল। তিনিই নাকি ব্ল্যাকমেইল করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আর ভিডিওটি শেয়ার করেছেন মঈনউদ্দিন এর ভাই নিজামউদ্দিন, যিনি ওই ওয়ার্ডের তৃণমূলের সভাপতি।

এই ঘটনায় শোরগোল পরে জায় তৃণমূলের অন্দরে। ভোটের মুখে অস্বস্তিতে পরে দল। এই ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার  সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাখ্যা দেন  ফিরহাদ। তিনি লেখেন, ‘আমার তৃণমূল কংগ্রেস এমন একটি দল, যেখানে ক্ষুদ্রতম কর্মীর বক্তব্যেরও দাম আছে। তাই যখন আমি বলেছি যে, অভ্যন্তরীণ চাপের কারণে কোনও প্রার্থীকে টিকিট দেওয়া হয়নি, তা আসলে দলের বিশুদ্ধতার চিহ্ন এবং আমার নেত্রীর স্বার্থবিরোধী স্বভাব’।

এরপরেই বিজেপি-কে আক্রমণ করে তিনি লেখেন, ‘যদি আমারা এটাকে স্যাফ্রন  ব্রিগেডের (বিজেপি) স্বৈরাচারী শাসনের সঙ্গে তুলনা করি, যেখানে কেউ তাদের সর্ব্বোচ্চ নেতার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পায় না, আমি বরং তখন আমার বক্তব্য নিয়ে গর্ববোধ করি’। তিনি আরও লিখেছেন, ‘যথারীতি বিজেপি কোনও সুযোগ ছাড়েনি ভ্রান্ত সংবাদ প্রচার করার ও ছড়িয়ে দেওযার’।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত