নজরবন্দি ব্যুরোঃ গলা টিপে নিজের সদ্যোজাত শিশু সন্তানকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত বাবা। অমানবিক এই ঘটনা ঘটেছে উত্তর চব্বিশ পরগনার বাদুড়িয়ার পশ্চিম নাটুরিয়া গ্রামে। অভিযুক্তের নাম রুহুল আমিন সরদার। জানা যাচ্ছে একের পর এক মেয়ে হওয়া মেনে না নিতে পেরেই এমন কাণ্ড ঘটায় রুহুল আমিন সরদার।
আরও পড়ুনঃ দ্রুততার সাথে ১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ রাজ্যে, সুখবর চাকরিপ্রার্থীদের জন্যে।
অভিযুক্তের এমন মানসিকতা এবং বর্বরকাণ্ডে স্তম্ভিত গ্রামবাসীরা । স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, আমিনের সংসারে ছিলেন তার স্ত্রী ও তিন মেয়ে সন্তান। পরপর দুই কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর কয়েক মাস আগে ফের অন্তঃসত্ত্বা হন তার স্ত্রী।
১৯ জুন জন্ম দেন তৃতীয় কন্যা সন্তানের। হাসপাতালে সন্তানকে দেখতে গিয়েই দেখে, মেয়ের গায়ের রং কালো। দেখেই রেগে যায় আমিন। মঙ্গলবার সদ্যোজাতকে নিয়ে বাড়িতে ফেরেন আমিনের স্ত্রী। ঘরে একরত্তিকে রেখে কিছুক্ষণের জন্য বাইরে গিয়েছিলেন তিনি।
সেই সুযোগেই ঘরে ঢুকে সদ্যোজাতর গলা টিপে খুন করে আমিন। ঘরে ঢুকে খুদেকে পড়ে থাকতে দেখেই চিৎকার করে ওঠেন আমিনের স্ত্রী। ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। সঙ্গে সঙ্গে সদ্যোজাতকে বাদুড়িয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
অমানবিক! কন্যাসন্তান তার উপরে আবার কালো, গলা টিপে খুন করলেন বাবা
চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জানা যাচ্ছে, পরপর মেয়ে হওয়ায় স্ক্রীকেই দায়ি করতো রুহুল আমিন ও তার পরিবার। শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনও চালান হতো স্ত্রীর ওপর।



