নজরবন্দি ব্যুরোঃ সংশোধনী নয় প্রত্যাহার করতে হবে কৃষি আইন! অবরুদ্ধ হওয়ার মুখে রাজধানী। পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী শনিবার দিল্লির চারিদিকে রাস্তা আটকানো থেকে শুরু করে টোল প্লাজা বন্ধ করে দেওয়ার মতো অভিযান চালাচ্ছেন কৃষকরা। শুক্রবারই কেন্দ্রকে এই হুশিয়ারি দিয়েছিলেন কৃষকরা। সেইমতো কেন্দ্র যাতে টোল সংগ্রহ করতে না পারে, তাই গতকাল রাত থেকেই হরিয়ানার অম্বালায় শম্ভু টোল প্লাজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এছাড়াও বস্তারা টোল প্লাজাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ মুখ্যসচিব ও ডিজি-কে তলব সম্পূর্ণ ‘বেআইনি’, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিবকে চিঠি কল্যাণের
কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে গত ২৬ শে নভেম্বর থেকে চলা কৃষক আন্দোলন শনিবার ১৭ তম দিনে পড়ল। এই দাবিতে শুক্রবারই দেশের সর্বোচ্চ আদালতে হস্তক্ষেপ চেয়ে কৃষকদের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে। তার পরেই জনতা পার্টি বিরোধিতা শুরু করে। দুষ্মন্ত চৌতালা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, যদি বিজেপি কৃষকদের দাবি না মানে তা হলে তিনি পদত্যাগ করবেন। অন্যদিকে, কৃষক আন্দোলনে হিংসাত্মক ঘটনা এঁড়াতে দিল্লি-হরিয়ানা সীমান্ত সমেত বেশ কিছু এলাকায় পুলিশি পাহাড়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
গুরুগ্রাম ও ফরিদাবাদে সাড়ে তিন হাজার পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। রাজধানীতেও চলছে কড়া নজরদারি। আন্দোলনরত কৃষকরা হুমকি দিয়েছে, তারা দিল্লি-জয়পুর হাইওয়ে বন্ধ করে দেবেন। কোনও কারণ যেন দিল্লি অবরুদ্ধ না হয়, তার জন্য ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন। কিন্তু প্রশাসনের সেই ব্যাবস্থা কে কার্যত উড়িয়ে দিয়ে। রাজপথের দখল নিয়েছেন কৃষকরা।
সংশোধনী নয় প্রত্যাহার করতে হবে কৃষি আইন! কিষাণ মজদুর সংঘর্ষ কমিটির নেতা এস এস পান্ধের জানিয়েছেন, “অমৃতসরে বিক্ষোভরত অন্তত ৭০০ ট্রাক্টর দিল্লির কুন্দলি সীমান্তের দিকে এগিয়ে আসছে।” তাঁর কথায়, ‘সরকারের সঙ্গে পাঁচবার বৈঠক হয়েছে তাঁদের। কিন্তু কোনও সমাধান সূত্র বের হয়নি।’ উল্লেখ্য, কেন্দ্র জানিয়েছে কৃষি আইনে কিছু সংশোধনী করতে রাজি আছে তারা। কিন্তু কৃষকদের দাবি, এই আইন পুরোপুরি প্রত্যাহার করতে হবে।



