ফলতা পুনর্নির্বাচন ঘিরে সকাল থেকেই নজর ছিল ভোটের গতিপ্রকৃতি ও অংশগ্রহণের হারের দিকে। বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণে প্রথম দু’ঘণ্টাতেই উল্লেখযোগ্য সাড়া মিলেছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সকাল ৯টা পর্যন্ত ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ২০.৪৭ শতাংশ, যা আগের নির্বাচনের একই সময়ের তুলনায় বেশি।
এর আগে দ্বিতীয় দফার ভোটে সকাল ৯টা পর্যন্ত প্রায় ১৮ শতাংশ ভোট পড়েছিল। সেই হিসেবে এবার শুরুতেই ভোটদানের হার কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। কমিশনের নজরদারিতে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ।


এই পুনর্নির্বাচন ঘিরে প্রশাসনিক প্রস্তুতিও ছিল কড়া। ফলতার ২৮৫টি বুথে নিরাপত্তার জন্য মোতায়েন করা হয়েছে ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রতিটি বুথে রাখা হয়েছে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে অতিরিক্ত নজরদারি।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এই ভোটে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় তৃণমূলের অবস্থান। ভোটের আগে প্রার্থী জাহাঙ্গির খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেন। যদিও তাঁর নাম ইভিএমে রয়েছে। পুনর্নির্বাচনের দিন স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে, তাঁর বাড়ি ও দলীয় কার্যালয় বন্ধ অবস্থায় দেখা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ অভিযোগ করেছেন, অতীতের কয়েকটি নির্বাচনে তাঁরা স্বাভাবিকভাবে ভোট দিতে পারেননি। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীন যাচাই এই মুহূর্তে সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে, পুনর্নির্বাচনের দিন সকাল পর্যন্ত ভোটগ্রহণ মোটের উপর শান্তিপূর্ণভাবেই এগিয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে ইঙ্গিত।


আগের ভোটে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ ওঠার পরই নির্বাচন কমিশন সমস্ত বুথে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে দিনের শেষে শুধু ভোটের হার নয়, গোটা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণও বড় রাজনৈতিক বার্তা হয়ে উঠতে পারে।



