নজরবন্দি ব্যুরো: বিতর্ক শুরু হয়েছিল আগেই। বাম নেতা সুজন চক্রবর্তীর স্ত্রী মিলি চক্রবর্তী কোন পদ্ধতিতে কলেজে চাকরি পেয়েছিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন শাসকদলের কয়েক জন নেতা। এ বার সেই বিতর্কের বলকে আরও খানিকটা গড়িয়ে দিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।
আরও পড়ুনঃ অনুব্রত হীন বীরভূম জেলার দায়িত্বে খোদ মুখ্যমন্ত্রী, বড় ঘোষণা মমতার


কী ভাবে সুজনের স্ত্রী চাকরি পেয়েছিলেন তা নিয়ে তদন্তের কথাও শুক্রবার শোনা গেল তাঁর মুখে। শুক্রবার বিকাশ ভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী জানান, ঠিক কী ঘটেছে সেই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হবে। তিনি যদি অনৈতিক ভাবে চাকরি পেয়ে থাকেন তবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিন তিনি সিপিএম কে একহাত নিয়ে বলেন, ”সিপিএমের মূল বৈশিষ্ট্যই হল, কাজ না করে বড় বড় কথা বলা, কুৎসা করা। তাঁদের এই কুৎসার তালিকাটা দীর্ঘ – প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।



কিন্তু আমি বলতে চাই, কুৎসা করার আগে সবটা দেখেবুঝে নিন। আর নিয়োগে দুর্নীতি শুরু বাম আমল থেকেই।” তিনি আরও বলেন, ”যাঁর চাকরি নিয়ে এত কথা হচ্ছে, তাঁকে আমি চিনি না। টুইট সামনে না এলে জানতাম না যে উনি এভাবে এত বছর চাকরি করেছেন।
সুজন চক্রবর্তীর স্ত্রীর চাকরির তদন্ত হবে, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু

১৯৭৯ সালে কলেজ সার্ভিস কমিশন তৈরি হয়। তখন গ্রুপ সি (Group C) ও গ্রুপ ডি’র (Group D) আওতায় ছিল না। তাই উনি (মিলি ভট্টাচার্য) পরীক্ষা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত নয়। এর তদন্ত হতেই পারে।”







