নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২ বছর দিতে হবে না ইএমআই। বড় খবর লোন গ্রাহকদের জন্যে। করোনা ও লকডাউনে বিপর্যন্ত সাধারণ মানুষ। চাকরি চলে গিয়েছে বহু মানুষের। ধুঁকছে শিল্প সংস্থাগুলিও। ফলে ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা হারিয়েছেন লাখো মানুষ। এই পরিস্থিতিতে ঋণ গ্রাহকদের জন্য স্বস্তির খবর জানাল সুপ্রিম কোর্ট। আপাতত ব্যাংকগুলি কোনও ব্যক্তি বা কোম্পানির অ্যাকাউন্টকে নন-পারফর্মিং অ্যাসেট হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে না। জানিয়ে দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।
আরও পড়ুনঃ কবে থামবে করোনার দাপট? চমকপ্রদ আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের।
২ বছর দিতে হবে না ইএমআই। করোনা পরিস্থিতিতে বড় সিদ্ধান্ত নিল স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া। ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে ঘোষনা করা হয়েছে, ঋণ শোধ করার মোরাটোরিয়াম সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে৷ যে গ্রাহকরা ১ মার্চ ২০২০-র আগে গৃহঋণ বা অন্যান্য ঋণ নিয়েছিলেন, তাঁরা এই সুবিধা পাবেন৷ এসবিআই শর্ত দিয়েছে একটি বিশেষ ক্ষেত্রে। জানানো হয়েছে এই সুবিধা পেতে গেলে করোনার জেরে তাঁদের উপার্জন কমেছে, এই প্রমাণ দিতে হবে গ্রাহকদের৷
এসবিআই-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর সিএস শেট্টি জানিয়েছেন এই তথ্য। এসবিআই-ই দেশের প্রথম ব্যাঙ্ক যারা প্যান্ডেমিকে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের জন্য এই পদক্ষেপ করল৷ তবে একই পথে হাঁটতে চলেছে এইচডিএফসি এবং আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক। উল্লেখ্য, করোনা আবহের শুরুতে ঋণ গ্রাহকদের স্বস্তি দেওয়ার জন্য ছ’মাসের মোরাটোরিয়াম ঘোষণা করেছিল ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক (RBI)। যা শেষ হয়েছে ৩১শে অগাস্ট।
সাধারন মানুষের জন্যে ইএমআই তে স্থগিতাদেশ দিলেও পরে দেখা যায় আসলে জনগনের থেকে অনেক বেশী লাভবান হচ্ছে ব্যাঙ্ক। কার্যত শোষনের মুখে পড়ছেন সাধারন মানুষ। করোনা পরিস্থিতিতে রোজগার কমে যাওয়ায় যারা ইএমআই দিতে পারছেন না এখন তাদের পরে গুনতে হবে অনেক বেশি টাকা। কারন স্থগিত ইএমআই এর উপর ব্যাঙ্কগুলি অতিরিক্ত সুদ নেবে। এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয় বিষয়টি নিয়ে।
কদিন আগে সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র ও রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা কেন্দ্রিয় সরকারের সিদ্ধন্তের কথা জানান। তিনি বলেন, “ঋণ শোধ করার মোরেটোরিয়াম বা ইএমআই আগামী দু’বছরের জন্য স্থগিত রাখা যেতে পারে। মহামারী পরিস্থিতিতে কোন কোন সেক্টর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সে বিষয়টা সরকার খতিয়ে দেখছে।”



