ডিজিটাল কনটেন্ট দুনিয়ায় নতুন প্রতিযোগিতার আভাস। কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন Elon Musk। তাঁর ইঙ্গিত, খুব শিগগিরই X (আগের টুইটার) এমন এক মানিটাইজেশন মডেল আনতে পারে, যেখানে আয় YouTube-এর থেকেও বেশি হতে পারে।
সম্প্রতি এক্স-এ এক ব্যবহারকারীর পোস্টের প্রতিক্রিয়ায় মাস্ক জানান, সঠিক নিয়ম, স্বচ্ছ হিসাব এবং শক্তিশালী রাজস্ব ভাগাভাগির ব্যবস্থা চালু করা গেলে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের পারিশ্রমিক উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব। এই বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য এক্স-এর প্রোডাক্ট হেড নিকিতা বিয়েরকে নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।


একই সঙ্গে বর্তমান ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাও স্বীকার করেছেন মাস্ক। তাঁর কথায়, এই মুহূর্তে এক্স এখনও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের যথাযথ পারিশ্রমিক দিতে পারছে না। তুলনায় ইউটিউবের পেমেন্ট ও রেভিনিউ শেয়ারিং সিস্টেম অনেক বেশি পরিণত ও সুসংগঠিত। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এক্স-এর মানিটাইজেশন কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের কথা ভাবা হচ্ছে।
তবে নতুন ব্যবস্থায় কড়া শর্তও থাকবে। মাস্ক স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ভুয়ো এনগেজমেন্ট, বট ট্রাফিক বা সিস্টেমের অপব্যবহার কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। শুধুমাত্র প্রকৃত ভিউ, আসল দর্শক এবং উচ্চমানের কনটেন্টের ভিত্তিতেই আয়ের হিসাব করা হবে। এই মানদণ্ড পূরণ করতে পারলে এক্স-এ ক্রিয়েটরদের আয় ইউটিউবের থেকেও বেশি হতে পারে বলেই তাঁর দাবি।
এই ঘোষণায় কনটেন্ট নির্মাতাদের সামনে একাধিক সম্ভাবনা খুলে যেতে পারে। ইউটিউবের পাশাপাশি এক্স হয়ে উঠতে পারে বিকল্প শক্তিশালী আয়ের প্ল্যাটফর্ম। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি স্তরের ক্রিয়েটররা তুলনামূলক দ্রুত রোজগারের সুযোগ পেতে পারেন। পাশাপাশি টেক্সট, ছবি ও ভিডিও—সব ধরনের কনটেন্ট থেকেই উপার্জনের পরিসর বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


সব মিলিয়ে ইলন মাস্কের এই মন্তব্য কনটেন্ট ইকোনমিতে নতুন প্রতিযোগিতার বার্তা দিচ্ছে। এখন নজর থাকবে, কবে এবং কী ভাবে এক্স এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপ দেয়।







