নজরবন্দি ব্যুরো : গত ১এপ্রিল নন্দীগ্রাম বিধানসভার নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। ভোটের দিন সকাল থেকেই নানা অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ইভিএমে কারচুপি, ভোটলুট এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামের ভোট নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দেওয়া রিপোর্ট সন্তোষজনক নয়। তাই কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হতে চলেছে শাসকদল৷
আরও পড়ুনঃ “জওয়ানদের প্রাণের দাম নেই, মোদি-শাহ বাংলায় এসে দিদি হঠাও বলছে।” সাতগাছি থেকে অভিষেক।
জানা গিয়েছে, প্রয়োজনে আদালতেও যেতে পারে মমতার দল। প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রামে নির্বাচনের দিন বয়ালের ৭ নম্বর বুথে ৮০% ছাপ্পা ভোট পরেছিল বলে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিম তথা নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এদিন রবিবার মমতার সেই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন৷ এর পরই বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়ক ও বিবেক দুবে একটি রিপোর্ট জমা দেন নির্বাচন কমিশনে। সেই রিপোর্টে উপর ভিত্তি করেই এদিন কমিশন জানায়, ”নন্দীগ্রামের বয়ালের ৭নং বুথে সকাল ৭টায় মক ড্রিল শুরু হয়। তারপর চালু করা হয় ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া।
ওই মক ড্রিলের সময় বিজেপি, সিপিআইএম ওএকজন নির্দল পোলিং এজেন্ট পোলিং বুথের ভিতর উপস্থিত ছিলেন। বুতগেরর সিসিটিভি ফুটেজ থেকে প্রমাণ করা যায় যে প্রক্রিয়ায় কোন ভুল ছিল না। তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “১৪৪ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও মেলা বসে গিয়েছিল ওখানে৷ বয়ালে সকাল থেকে কী হয়েছে, সেটা সব মানুষ দেখেছেন৷ নির্বাচন কমিশনের কেন্দ্রীয় বাহিনী যদি চোখে ঠুলি গুঁজে থাকে, তাতে আমরা কী করব? নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিপুল ভোটে জিতবেন৷
কিন্তু তারমানে এই নয় যে কয়েকটা বুথে বিজেপি অসভ্যতা করবে আর নির্বাচন কমিশন তার বৈধতা দেবে৷ পরবর্তী ভোটে যাতে আর এধরণের ঘটনা না ঘটে, তার জন্য আমরা যা যা করার তাই করব৷” সৌগত রায় বলেন, “আমরা কমিশনের জবাবে সন্তুষ্ট নই৷ আমরা দিল্লিতে চিফ ইলেকশন কমিশনে যাব৷ তারপর আদালত তো আছেই৷”



