Calcutta High Court: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ, সাত সকালে আদালতে শিক্ষাসচিব

নজরবন্দি ব্যুরোঃ বুধবার শিক্ষা সচিব মনীশ জৈনকে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বুধবার রাতেই সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ মেনে সকাল বেলাতেই আদালতে উপস্থিত হলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ Todays Horoscope: গুরুবারে কোন কোন রাশির ভাগ্যে রয়েছে লক্ষ্মী লাভ? পড়ুন আজকের রাশিফল

প্রসঙ্গত, গত ২৮ সেপ্টেম্বর স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে তিনটি পৃথক আবেদন জমা করা হয়েছিল। সেই আবেদনে বলা হয়েছিল, যাদের চাকরি বাতিল হয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর দায়ের হয়নি। তাঁরা ২-৩ বছর ধরে কর্মরত। সরকারের তরফে অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরি করে ওই পদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল। সেই আবেদনপত্র প্রত্যাহারের জন্য তাঁরা আজ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে যান।

বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ, ডিভিশন বেঞ্চে আবেদনের পরেও উপস্থিত শিক্ষা সচিব
বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ, ডিভিশন বেঞ্চে আবেদনের পরেও উপস্থিত শিক্ষা সচিব

এদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ, স্কুল সার্ভিস কমিশন এই ধরনের মন্তব্য করেছেন, এই ধরনের কথা তিনি বিশ্বাস করেন না। স্কুল সার্ভিস কমিশনকে সামনে রেখে জোর করে আবেদন লেখানো হচ্ছে। স্কুল সার্ভিস কমিশনকে সামনে রেখে কোনও কোনও খেলোয়াড় গোটা বিশ্বকাপ খেলতে চাইছে। কিছু কিছু ব্যক্তি রয়েছেন, যারা এখনও নিয়োগ দুর্নীতির তার ধরে টানছেন। সেই সমস্ত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে হবে।এরপরেই শিক্ষাসচিবকে তলব করেন তিনি। একইসঙ্গে কারা এই অতিরিক্ত শূন্যপদে বেআইনি নিয়োগের কথা বলছেন, তাঁদেরকে খুঁজে বের করবে সিবিআই।

বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ, ডিভিশন বেঞ্চে আবেদনের পরেও উপস্থিত শিক্ষা সচিব

বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ, ডিভিশন বেঞ্চে আবেদনের পরেও উপস্থিত শিক্ষা সচিব
বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ, ডিভিশন বেঞ্চে আবেদনের পরেও উপস্থিত শিক্ষা সচিব

বুধবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানায় রাজ্য। সকাল সাড়ে ১০টার আগেই ডিভিশন বেঞ্চ বসিয়ে রাজ্যের আবেদনের শুনানির আর্জি জানানো হয়। পাশাপাশি, অতিরিক্ত শূন্যপদে বেনামি-আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিবিআই তদন্তের নির্দেশকেও চ্যালেঞ্জ জানানো হয়। এরপর বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে হাজিরা দিতে উপস্থিত হন শিক্ষাসচিব।