নজরবন্দি ব্যুরো: ফের একবার সংবাদের শিরোনামে কালীঘাটের কাকু সুজয়কৃষ্ণ! আরও একবার সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখ খুললেন তিনি। জানা গিয়েছে, রাজ্যের নিয়োগ দুর্নীতিতে তদন্তে নেমে এবার সুজয়কৃষ্ণের জামাইকে তলব করেছে ইডি। আর এই প্রসঙ্গেই সোমবার জোকা ইএসআই হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে গিয়ে সুজয়কে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, “বাড়ির লোকেদের ডেকে লাভ নেই। ওদের নামে কিছুই রাখা নেই।”
আরও পড়ুন: Panchayat-এ মনোনয়নের জন্য ৫ দিন কেন? বিচারপতির প্রশ্নের মুখে কমিশন


সুজয়ের গ্রেফতারির পর থেকেই তদন্তে নেমে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে তদন্তকারীদের হাতে। ইডি সূত্রে খবর, ২০১৯-২০ সালে কালীঘাটের কাকুর নির্মাণ সংস্থার অ্যাকাউন্টে সরাসরি ১ কোটি টাকারও বেশি অর্থ জমা পড়েছে। মনে করা হচ্ছে, এই বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করতেই সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র নির্মাণ সংস্থায় লাগিয়েছিলেন বলেই অনুমান। শুধু তাই নয়, ইডির দাবি, জামাইয়ের মাধ্যমে বিনিয়োগ করেছেন সুজয়। সেই সংক্রান্ত তথ্য তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। সেই কারণেই এবার তাঁর জামাইকে তলব করা হয়েছে। যদিওবা এর আগে, অনেক বারই জামাইয়ের প্রসঙ্গ এড়িয়েছেন সুজয়।

উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতিতে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি! কোটি কোটি টাকা উদ্ধারের পাশাপাশি নাম জড়িয়ে তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতাদের নাম। দুর্নীতিতে গ্রেফতার করা হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তৃণমূলের যুবনেতা কুন্তল ঘোষ, মানিক ভট্টাচার্য সহ তাঁর ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল কেও। শুধু তাই নয়, কুন্তলকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই উঠে আসে তাপস মণ্ডল, গোপাল দলপতি, কালীঘাটের কাকুর মতো কয়েকজনের নাম।



এরপরেই দু’বার কালীঘাটের কাকুকে তলব করে সিবিআই। শুধু তাই নয়, সুজয়কৃষ্ণের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালায় তদন্তকারী আধিকারিকরা। আর সেই তল্লাশি অভিযানে সুজয়বাবুর বাড়ি থেকে বেশ কিছু নথি পেয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এরপর ওই সংস্থাগুলির বিষয়ে আরও তথ্য পেতে তৎপর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অবশেষে গত ৩০ মে নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগে সুজয়কৃষ্ণকে গ্রেফতার করে ইডি।
Kalighater Kaku-র মুখ খুলতেই জামাইকে তলব, ফের সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুললেন সুজয়কৃষ্ণ








