নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অয়ন শীলকে গ্রেফতার করেছে তদন্তকারী সংস্থা। এবার নিয়োগ দুর্নীতিতে অয়ন শীল ঘনিষ্ঠ শ্বেতা চক্রবর্তীকে তলব করল ইডি। বৃহস্পতিবার তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অয়ন শীলের বিরাট সম্পত্তি ও টাকার উৎস জানতে চলতি সপ্তাহেই গোটা পরিবারকে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এরই মধ্যে আজ শ্বেতাকে তলব করা হয়েছে।


সূত্রে খবর, অয়ন শীলের প্রোডাকশনের একতি ছবিতে কাজ করেছিলেন শ্বেতা চক্রবর্তী। এমনকি অয়নের কিনে দেওয়া একটি গাড়িও ব্যবহার করতেন শ্বেতা। তাই শ্বেতার সঙ্গে আর্থিক লেনদেন সম্পর্কে জানতেই তাঁকে তলব করেছে গোয়েন্দা সংস্থা। ইতিমধ্যেই গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে শ্বেতা চক্রবর্তীর ব্যাঙ্কের কাগজ পত্র। সেই সমস্ত তথ্য জানতে আজই তাঁকে তলব করা হয়েছে।

এর আগে অয়নের টাকার উৎস খুঁজে পেতে চলতি সপ্তাহেই গোটা পরিবারকে তলব করে ইডি। গতকাল সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন অয়ন শীলের বাবা ও মা। বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টা নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সে উপস্থিত হয়েছেন তাঁরা। শুক্রবার অয়ন শীলের স্ত্রী কাকলি শীল এবং ছেলে অভিষেক শীলকে তলব করা হয়েছে। পরিবারের নামে বিপুল সম্পত্তি নিয়োগ দুর্নীতির টাকাতেই করেছিলেন অয়ন? প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে।
অয়ন শীল ঘনিষ্ঠ শ্বেতা চক্রবর্তীকে তলব করল ইডি, পরিবারের পর বান্ধবীকেও তলব

ইডি সূত্রে খবর, অয়নের ছেলে অভিষেক শীলের নামে একাধিক পেট্রল পাম্প, রেস্তোরাঁ রয়েছে। শুধু তাই নয়, তাঁর সঙ্গে জয়েন্ট পার্টনার রয়েছে অভিষেকের এক বান্ধবী শ্বেতা। গোয়েন্দাদের অনুমান, চাকরি বিক্রির টাকাই নিয়োগ করা হয়েছে একাধিক ব্যবসায়। সেকারণেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে পরিবারের সদস্যদের। সিবিআইইয়ের অনুমান, নিয়োগ দুর্নীতির মোটা টাকা পরিবারের নামে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে রাখা হয়েছিল। তাই সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই তলব করা হয়েছে। সেই তালিকায় যুক্ত হল শ্বেতার নামও।









