নজরবন্দি ব্যুরো: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি! কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির দায়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও তাঁর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমান। এরপরেই দুর্নীতির রহস্য সমাধানে মন্ত্রী ঘনিষ্টদের তলব করছে কেন্দ্রীয় এজেন্সির গোয়েন্দারা। এই তালিকায় রয়েছেন বালুর আপ্তসহায়করা। শুধু তাই নয়, রেশন দুর্নীতি মামলায় রাজ্যজুড়ে চল্লাশি চালাচ্ছেন ইডির আধিকারিকরা।
আরও পড়ুন: মেঘ সরতেই হেমন্তের শিরশিরানি, কালীপুজোর আগেই কি বঙ্গে জাঁকিয়ে শীত?


এহেন পরিস্থিতিতে তল্লাশি চালিয়ে ১ কোটি টাকা নগদ বাজেয়াপ্ত করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, অঙ্কিত ইন্ডিয়া লিমিটেডের দফতরে তল্লাশি চালিয়ে ১ কোটি টাকা নগদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, সেই সঙ্গে তল্লাশিতে আরও চল্লিশ লক্ষ টাকা ক্যাশ মিলেছে। পাশাপাশি প্রচুর নথিপত্রও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, রেশন দুর্নীতির তদন্তে নেমে গত শনিবার ভোর থেকেই টানা তল্লাশি অভিযানে নেমেছেন ইডির গোয়েন্দারা। রাজ্যজুড়ে চাল কল, আটা কল, রেশন ব্যবসায়ী, একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযানে চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় এজেন্সির গোয়েন্দার। এমনকি উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়ায় একাধিক চালকল, উলুবেড়িয়ার মিলেও হানা দিয়েছে ইডি।



রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে বাজেয়াপ্ত নগদ ১ কোটি, চলছে তল্লাশি
কেন্দ্রীয় এজেন্সির গোয়েন্দাদের দাবি, একটি নয় রাজ্য জুড়ে নাকি ১২ হাজার বাকিবুর থাকতে পারে। শুধু তাই নয়, ইডি আরও জানিয়েছে যে, ২০১১ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত রাজ্যের ১২ হাজারেরও বেশি ডিলার, ডিস্ট্রিবিউটর, রেশন দোকানের মালিকের নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়েছিল। আর এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমেই কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। আর দুর্নীতির আসল মাস্টারমাইন্ড মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক নিজেই। পাশাপাশি ইডির দাবি, রাজ্যে যে পরিমাণের দুর্নীতি করা হয়েছে, তা খাদ্য দফতরের মদত ছাড়া করা অসম্ভব।








