নজরবন্দি ব্যুরোঃ মঙ্গলবার আদালতের কাছে জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। সেই মামলার শুনানি ছিল বুধবার। এদিন আদালতের কাছে মানিক ও কুন্তল সম্পর্কে একাধিক বিস্ফোরক তথ্য তুলে ধরল তদন্তকারী সংস্থা। ওএমআর শিটে সাংকেতিক ষড়যন্ত্র ছিল কুন্তল ও মানিকের। আদালতে দাবি করল ইডি। একইসঙ্গে পার্থ মানিকের যুগলবন্দি টাকা তুলেছে বলে অভিযোগ তুলেছে ইডি।
আরও পড়ুনঃ RBI: ফের রেপো রেট বাড়াল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, বাড়বে EMI এর বোঝা
এদিন ইডির আইনজীবীর তরফে জানানো হয়েছে হুগলীর যুব তৃণমূলের নেতা কুন্তল ঘোষকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করে একাধিক তথ্য জানতে পেরেছে ইডির আধিকারিকরা। সেখানেই বলে হয়েছে, গোটা নিয়োগ দুর্নীতিতে মানিক এবং কুন্তল গভীরভাবে ষড়যন্ত্র করেছে। যারা টাকার বিনিময়ে চাকরি পাওয়া আশা করেছিল, সেই চাকরি প্রার্থীদের সমস্ত কিছু আগে থেকেই শিখিয়ে রাখত কুন্তল এবং মানিক।

ইডির তরফে দাবি করা হচ্ছে, মানিক ভট্টাচার্য এবং কুন্তল ঘোষ গভীর ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন। ওএমআর শিটেও সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। কোন দুটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে? তা আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল চাকরি প্রার্থীদের। বাকি প্রশ্নের উত্তর দিতে নিষেধ করা হয়েছিল চাকরি প্রার্থীদের। অর্থাৎ, যারা টাকার বিনিময়ে চাকরি পাওয়ার কথা ছিল তাঁদের এই সাংকেতিক বিষয়ে অবগত করতেন পর্ষদ সভাপতি।
ওএমআর শিটে সাংকেতিক ষড়যন্ত্র ছিল কুন্তল ও মানিকের, কি ছিল পরিকল্পনা?

ইডির তরফে দাবি করা হত, প্রথমে সেই চাকরি প্রার্থীদের ওএমআর শিট বাছাই করা হত। পরে সেই ওএমআর শিট ভর্তি করা হত। এভাবেই দিনের পর দিন বেআইনিভাবে চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। ইডির আইনজীবী দাবি করেন, একটা সময় রাজ্য থেকে ভালো ভালো অনেক শিক্ষক বের হয়েছেন। কিন্তু এখন শিক্ষাব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত। আমাদের রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা যেতে বাধ্য হচ্ছে। যারা অযোগ্য প্রার্থী তাঁরা এখন শিক্ষাদান করছেন। ফলত, ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন।



