নজরবন্দি ব্যুরো: বৃহস্পতিবারও সুজয় কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর পরীক্ষা হলো না। প্রায় চার ঘন্টা এসএসকেএম হাসপাতালে কাটিয়ে খালি হাতেই ফিরতে হলো এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট আধিকারিকদের। চিকিৎসকদের তরফ থেকে বলা হয়েছে, কন্ঠস্বর পরীক্ষার জন্য যে পরিমাণ শারীরিক ক্ষমতা প্রয়োজন তা এই মুহূর্তে কাকুর নেই।
আরও পড়ুনঃ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের ১৯ দিন পার, বাড়ছে তেলের দাম, ভারতীয় অর্থনীতিতে কতটা প্রভাব পড়বে?


প্রসঙ্গত, গত ৩০শে মে গ্রেফতার হন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকু। তবে, গ্রেফতারির কিছুদিন পরেই প্যারোলে ছাড়া পেয়েছিলেন সুজয়কৃষ্ণ। কারণ, মৃত্যু হয় তাঁর স্ত্রী বাণী ভদ্রের। তারপর জেলে ফিরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। ভর্তি করা হয় এসএসকেএমে। এসএসকেএমে অস্ত্রোপচারে রাজি ছিলেন না কালীঘাটের কাকু। তিনি বারবার বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার আবেদন করে আদালতে। তার প্রতিবাদ করে ইডি। শেষমেশ বেসরকারি হাসপাতালেই হয় অস্ত্রোপচার। অস্ত্রোপচারের পর আবার জেলে ফেরেন কালীঘাটের কাকু। আপাতত সেখানেই ভর্তি রয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার কালীঘাটের কাকুর কন্ঠস্বর পরীক্ষা করতে বেলা বারোটা নাগাদ ইডির আধিকারিকরা হাজির হন এসএসকেএম হাসপাতালে। দেখা করেন ডা.পীযূষকান্তি রায়ের সঙ্গে। তাঁর অধীনেই ভর্তি রয়েছেন কালীঘাটের কাকু। যদিও এদিন চার ঘন্টা অপেক্ষা করেও কাকুর কন্ঠস্বরের পরীক্ষা করতে পারলেন না ইডি অফিসাররা।



অনুমতি মিলল না কালীঘাটের কাকুর কন্ঠ পরীক্ষার, SSKM থেকে খালি হাতেই ফিরল ED
উল্লেখ্য, এর আগেও সুজয়ের গলার স্বরের নমুনা সংগ্রহ বা পরীক্ষার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে যান ইডি আধিকারিকরা। সেবারও পরীক্ষা হয়নি। এবারও হল না। চিকিৎসকদের মতে, কন্ঠস্বর পরীক্ষার মতো শারীরিক অবস্থা এই মুহূর্তে কাকুর নেই।








