নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত করছে ইডি ও সি বি আই। আর তা চলছে বেশ কিছুদিন ধরেই। এই তদন্তে খুব যে একটা এগতে পেরেছে তদন্তকারী দুই সংস্থা তা কিন্তু নয়। কয়েক জনকে গ্রেফতার করেছে। আর তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। কিন্তু এই তদন্ত নিয়ে ফের একবার ইডি সি বি আই কে আদালতের ভর্ৎসনার মুখে পরতে হল।
আরও পড়ুনঃ বৃষ্টির ঘাটতি পূরণ হবে দক্ষিণবঙ্গে, শীঘ্রই মৌসুমী বায়ুর হাওয়া বদল


শুক্রবার ভরা আদালতে ওই দুই তদন্তকারী সংস্থাকে কার্যত তুলোধোনা করেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। বিচারপতির রীতিমতো তাৎপর্যপূর্ণ প্রশ্ন, ‘‘আপনারা যখন এই দুর্নীতির তদন্তে একটা গ্রহণযোগ্য জায়গায় পৌঁছবেন, তখন এই তদন্তের প্রয়োজনীয়তা আদৌ থাকবে তো?’’

রীতিমতো অসন্তোষ প্রকাশ করে শুক্রবার আদালতের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ, ‘‘আকাঙ্ক্ষিত গতিতে আপনাদের তদন্ত চলছে না।’’ নিয়োগ দুর্নীতি মামলার গত শুনানিতে দুই সংস্থা ইডি ও সিবিআইকে তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। শুক্রবার কলকাতা হাই কোর্টে মুখবন্ধ খামে দুই সংস্থার রিপোর্ট জমা পড়ে।


আর কতদিন চলবে এই তদন্ত? নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের আদালতে ভর্ৎসিত ED, CBI

আদালতে ইডি’র আইনজীবীর দাবি, ‘‘প্রাথমিক নিয়োগ কেলেঙ্কারির শিকড় খুঁজতে গিয়ে ৩৫০ কোটি টাকার দুর্নীতির খোঁজ পেয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। গত ১৩ জুলাই কুন্তল ঘোষ, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়, অয়ন শীল ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ১৫ কোটি টাকার অস্থাবর সম্পত্তি, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত নথি এবং ৪৩টি স্থাবর সম্পত্তি প্রসিড অব ক্রাইম হিসাবে অ্যাটাচ করা হয়েছে।’’








