নজরবন্দি ব্যুরোঃ নির্বাচনী আবহে বিজেপির উদ্দেশ্যে কড়া মন্তব্য তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর। ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিও নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। বিজেপিকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পেয়েই তৎপর হয়েছে কমিশন। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আজ সকাল ১০ টা থেকে ৬ তারিখ কোনও প্রচারে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না তৃণমূল বিধায়ক।
আরও পড়ুনঃ তাকলাগানো ক্যামেরা নিয়ে বাজারে আসছে ভিভো, অপেক্ষায় গ্যাজেট-প্রেমীরা
তৃণমূল বিধায়কের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ৬ তারিখ অবধি আসানসোলের নির্বাচনের প্রচারে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। এমনকি কোনও রোড শো, মিছিল সমাবেশ এমনকি সংবাদমাধ্যমের কাছেও মুখ খুলতে পারবেন না তিনি।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ঘিরে জল্পনা শুরু হয়েছে। যেখানে তৃণমূল বিধায়ককে বলতে শোনা যাচ্ছে, যারা কট্টর বিজেপি, যাদের ঘোরানো যাবে না, তাদেরকে চমকাতে হবে। তাদের বলবেন আপনি যদি ভোট দিতে যান তবে ধরে নেব বিজেপিকে ভোট দিচ্ছেন। তারপর কী পরিণাম হবে সেটা আপনার দায়িত্ব। আর আপনি যদি ভোট দিতে না যান তবে ধরে নেব আপনি আমাদের সমর্থনে আছেন। তখন আপনার কোনও সমস্যা হবে না, আপনি চাকরি করুন, ব্যবসা করুন আমরা সঙ্গে আছি।

১২ তারিখ আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। তার আগে ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওকে ঘিরে শুরু হয়েছে বিজেপি-তৃণমূলের রাজনৈতিক তরজা। বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর কথায়, এটা কোন সময়ের ঘটনা তাঁর মনে নেই। পান্ডবেশ্বরের প্রাক্তন বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারির নির্দেশে আমরা তৃণমূল কর্মীরা এই কাজ করতেন বলে দাবী করেন তিনি।
বিজেপিকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ, কড়া পদক্ষেপ কমিশনের

যদিও বিষয়টিকে হাল্কাভাবে নিচ্ছে না বিজেপি। বিজেপির সহ পর্যবেক্ষক ভিডিওটি ট্যুইট করে জানিয়েছেন, পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন চক্রবর্তী সরাসরি বিজেপি সমর্থক ও কর্মীদের হুমকি দিচ্ছেন, তাঁরা যাতে না ভোট দেন সেই নির্দেশ দিচ্ছেন। এই অপরাধীদের জেলে থাকা উচিৎ, কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের প্রশয় দিচ্ছেন। বিষয়টি যাতে নির্বাচন কমিশনের নজরে আসে সেটার অনুরোধ করছি। বিজেপির তরফে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানোর পরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।



