নজরবন্দিঃ জয়েন্ট ফোরাম ফর ওয়েস্ট বেঙ্গল রেশন ডিলার্স শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়ে দিল দুয়ারে রেশন প্রকল্প বাস্তবে একেবারেই অসম্ভব। দুয়ারে রেশন প্রকল্পের শুরু থেকেই বিরোধিতা করে এসেছেন তাঁরা। একাধিক সমস্যার পাশাপাশি ব্যাঙ্কে ঋণের বোঝা মেটাতে মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাঁদের। সব মিলিয়ে তাঁরা জানিয়েদিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প আসলে স্বপ্নের মতই।
আরও পড়ুনঃ ঘুষ দিয়ে চাকরি পাওয়া অপরাধ, কিন্তু ঘুষ খেয়ে চাকরি দেওয়া? চোর গুলোর শাস্তি হবেনা?


সংবাদ মাধ্যমকে তাঁরা জানিয়েছে, সরকারের তরফে জানানো হয়েছিল দু’জন কর্মচারীর অর্ধেক বেতন রেশন ডিলারদের দেওয়া হবে, কিন্তু সে কথা গত সাত মাসে ঘোষণা হিসেবেই রয়ে গিয়েছে। একইসঙ্গে তাঁরা অভিযোগ করেন, ‘দুয়ারে রেশন’ প্রকল্পের জন্য সরকারের দেওয়া এক লক্ষ টাকা ভর্তুকি নিয়ে ছয় লক্ষ টাকার গাড়ি কিনেছেন। আর এখন ব্যাঙ্কে ঋণের মেটাতে মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাঁদের।
![]()
প্রসঙ্গত, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা করেন ‘দুয়ারে রেশন’ প্রকল্পটি। প্রথমে তাঁরা মেনে নিলেও বিরোধিতা করে এসেছেন প্রথম থেকেই। প্রথমে তাঁরা বিষয়টি নিয়ে আপত্তি কথা জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে কোন লাভ হয়নি। খাদ্যমন্ত্রী তাঁদের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন, পরিবর্তে মন্ত্রী জানান রাজ্য সরকারের এই প্রকল্প কোনও ভাবেই বন্ধ করা সম্ভব নয়।



রেশন প্রকল্প বাস্তবে অসম্ভব সাফ জানাল ওয়েস্ট বেঙ্গল রেশন ডিলার্স। তারপর থেকেই রাজ্য সরকারের সঙ্গে রেশন ডিলারদের সংঘাত শুরু হয়। তাঁদের অভিযোগের কথা তাঁরা কেন্দ্রীয় খাদ্য সচিব সুধাংশু পাণ্ডের সঙ্গে বৈঠকে করেও জানান। বৈঠক করে তাঁরা মোট নয়টি দাবি কথা বলেন। সেখানে তাঁরা স্পষ্টত জানান, বাড়ি বাড়ি রেশন পৌঁছে দেওয়ার কর্মসূচির সিদ্ধান্ত সরকারের একতরফা।
দুয়ারে রেশন প্রকল্প বাস্তবে অসম্ভব, ১ লক্ষ অনুদান পেয়ে মেটাতে হচ্ছে ৬ লক্ষের ঋণ!

সরকার যা রেশন ডিলারদের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে। তাঁদের মতে, জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন অনুযায়ী তা সম্পূর্ণ বেআইনি। আর তাই অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করুক কেন্দ্রীয় খাদ্য ও সরবরাহ মন্ত্রক। অন্যদিকে, রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, কোনও ঘোষিত কর্মসূচি বাতিল করা সম্ভব নয়। প্রয়োজনে তাঁরা ডিলারদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। আলোচনায় বসলেই এই সমস্যার সমাধান বের করা সম্ভব।







