অক্সিজেনের অভাবে সরকারি হাসপাতালে মৃত্যু চার করোনা রোগীর, ভয়াবহ অবস্থা বাংলায়!

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ অক্সিজেনের অভাবে সরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হল চার করোনা রোগীর। ভয়াবহ অবস্থা রামপুরহাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে, চলছে তীব্র অক্সিজেন সঙ্কট। হাসপাতালের অধ্যক্ষ করবী বড়াল জানিয়েছেন অক্সিজেনের সংকট রয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাইরে থেকে অক্সিজেন এনে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে। করোনা রোগীর আত্মীয়রা জানিয়েছেন তাঁরা বাইরে থেকে অক্সিজেন কিনে এনে আক্রান্তকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। হাসপাতালে নেই অক্সিজেন।

আরও পড়ুনঃ নির্বাচন কমিশন কে তুলোধনা, করোনা নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন ডাঃ কুণাল সরকার।

অক্সিজেনের অভাবে এই নিয়ে দেশজুড়ে প্রায় ৫০ জন করোনা আক্রান্ত মারা গেলেন। সবথেকে অক্সিজেন সংকট রয়েছে দিল্লীতে। তবে দিল্লীর অক্সিজেন সংকটের পেছিনে রাজনীতির গন্ধ পাচ্ছে ওয়াকিবহাল মহল। দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল হাত জোড় করে প্রধানমন্ত্রীকে বলছেন অক্সিজেন দিন, অক্সিজেন চাই, রাতে ঘুম আসছে না চিন্তায়। এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে আইনক্সের দাবি তোলপার ফেলে দিয়েছে দিল্লীজুড়ে। সাড়া দেশের ৮০০ টি হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহ করে আইনক্স।

দিল্লীর অক্সিজেন উত্তরপ্রদেশে পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্র! সংস্থার দাবি, দেশের অন্য কোন রাজ্যের হাসপাতাল থেকে অভিযোগ না এলেও অভিযোগ এসেছে দিল্লী থেকে। কিন্তু তাঁদের হাত পা বাঁধা। কারন কেন্দ্রের নির্দেশে দিল্লীর জন্যে বরাদ্দ অক্সিজেনের বেশীরভাগটাই পাঠাতে হচ্ছে উত্তরপ্রদেশে। আইনক্স আদালতে জানিয়েছে, “দিল্লীর জন্যে বরাদ্দ ১০৫ মেট্রিকটনের যায়গায় দিল্লী সরকার ১২৫ মেট্রিকটন অক্সিজেন চাইছে, এদিকে কেন্দ্র নির্দেশ দিয়েছে দিল্লীকে ৮০ মেট্রিকটন অক্সিজেন দিয়ে বাকিটা উত্তরপ্রদেশে পাঠিয়ে দিতে! এই অবস্থায় আমরা কি করব?”

অক্সিজেনের অভাবে সরকারি হাসপাতালে, এদিকে পশ্চিমবঙ্গের চিত্র ব্যাখ্যা করেছেন চিকিৎসক দীপ্তেন্দ্র সরকার। তিনি বলেছেন, “এই মুহূর্তে সবার টেস্ট করলে হয়তো দেখা যাবে রাজ্যে পাঁচজনের মধ্যে একজন পজিটিভ।” চিকিৎসক কুণাল সরকার বলেছেন, “এই মুহূর্তে সংক্রমিতের সংখ্যাটা রূপক-মাত্র। আক্রান্তের সংখ্যা আরও অনেক বেশি।” পরামর্শ হিসেবে চিকিৎসকরা বলছেন, সামান্যতম উপসর্গ থাকলেও টেস্ট করান। প্রশ্ন হল টেস্ট চাইলেই কি করা যাচ্ছে রাজ্যে?

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত