নির্বাচন কমিশন কে তুলোধনা, করোনা নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন ডাঃ কুণাল সরকার।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ নির্বাচন কমিশন কে তুলোধনা করে করোনা নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন বিখ্যাত চিকিৎসক কুণাল সরকার। নজিরবিহীন পরিস্থিতির সামনে দাঁড়িয়ে বাংলা। ২৬ এপ্রিল রাজ্যে সংক্রমিতের সংখ্যা যেখানে ১৬ হাজার ছুঁইছুঁই, সেখানে ঠিক এক মাস আগে গত ২৫ মার্চ সংক্রমিত হয়েছিলেন মাত্র ৫১৬ জন। অর্থাৎ, সংক্রমণের সংখ্যাটা ছিল ৩১ গুণ কম। একমাস আগে রাজ্যে চিকিৎসাধীন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৯৫০ জন। আর এদিন সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৪ হাজারের বেশি।

আরও পড়ুনঃ দিল্লীর অক্সিজেন উত্তরপ্রদেশে পাঠাতে বলেছে কেন্দ্র, হাইকোর্টে বিস্ফোরক উৎপাদনকারী সংস্থা!

এই পরিস্থিতিতে সংবাদ প্রতিদিন কে দেওয়া এক সাখ্যাতকারে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন ডাক্তার কুণাল সরকার। তাঁর মতে, “জানুয়ারির শেষ কিংবা ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকেই বোঝা গিয়েছিল দেশজুড়ে দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তে চলেছে। মুম্বইয়ের মতো দেশের বাকি অংশেও যে এই মারণ ভাইরাস নতুন করে নিজের প্রভাব বিস্তার করবে, তা আন্দাজ করা কঠিন ছিল না। তারপরেও ভোট প্রক্রিয়া শুরু হল। আগুন নেভানোর চেষ্টা না করে উলটে আগুনে ঘৃতাহুতি দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। প্রচার, মিটিং-মিছিলই এক ধাক্কায় অনেকখানি বাড়িয়ে দিল সংক্রমণ। এমনকী মার্চের মাঝামাঝি থেকে যখন করোনার তাণ্ডব শুরু হয়, তখনও অন্ধ ধৃতরাষ্ট্রের মতো কমিশন সবকিছুর অনুমতি দিল। কীভাবে সব দেখেশুনে কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিল?

বাংলার এত বড় ক্ষতির জন্য কমিশনকে কাঠগড়ায় তোলা উচিত বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর কথায়, “বাংলার বুকে কমিশন যে অরাজকতা চালিয়ে গেল, মন্বন্তরের সময় উইনস্টন চার্চিলও চালিয়ে যাননি। ওরা যা করেছে, তা সম্পূর্ণ ভুল। সাহস থাকলে আমার সঙ্গে প্রকাশ্যে আলোচনায় বসুন। চ্যালেঞ্জ রইল।”

বর্তমান বাড়বাড়ন্ত কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে কুণাল বাবু সরকারি পরিসংখ্যান নিয়ে ভাবতে বারন করেন। তাঁর মতে এখন শুধু দক্ষিণ কলকাতাতেই আক্রান্তের সংখ্যা সোয়া লাখ! রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশ্যে কটাক্ষ ছুঁড়ে কুণাল বলেন, “মানুষকে রাজনৈতিক পার্টিগুলোর দরকার শুধু বোতাম টেপা পর্যন্ত। তারপর কার কী হল, কোনও মাথা ব্যথা নেই। সব নেতা-অভিনেতা, যাঁরা মানুষের সাহায্যের জন্য ভোটের আগে এগিয়ে এসেছিলেন, তাঁদের ৭ তারিখের পর দেখা যাবে তো?”

মিঠুন চক্রবর্তীর নাম করেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিশিষ্ট চিকিৎসক। তাঁর কথায়, “মিঠুন চক্রবর্তী সাধারণের জন্য অনেক সাহায্য করেছেন। বহুদিন ধরে তাঁকে আমি সামনে থেকে দেখেছি। জনদরদী একজন মানুষ। অথচ তিনিই অতিমারীর মধ্যে ১০-১৫ হাজার লোক জড়ো করে বক্তৃতা দিচ্ছেন। অবিশ্বাস্য।”

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন