নজরবন্দি ব্যুরোঃ স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের খাদ্যতালিকায় ড্রাই ফ্রুটস বা শুকনো ফল নিয়মিত থাকে। এই ড্রাই ফ্রুটসে রয়েছে অনেক উপকারিতা। এবার জেনে নিন ড্রাই ফ্রুটস যে কারণে খাবেন। সম্প্রতি এ প্রকাশিত একটি সমীক্ষা বলছে, প্রতিদিন ড্রাই ফ্রুটস খেলে কার্ডিওমেটাবলিক হেলথ ভালো থাকে, পাশাপাশি পেটও ভালো থাকে। তা ছাড়াও, ড্রাই ফ্রুটসে আখরোট, বাদাম, কিসমিস, খেজুরের মতো উপাদান থাকে যা শরীরে অন্যান্য উপকারও করে।
আরও পড়ুনঃ টিকা নেওয়া থাকলেও নেই রেহাই, ‘ওমিক্রন’ থেকে মুক্তির উপায় কী


এর মধ্যে প্রোটিন, ফ্যাট, ফাইবার, ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে, তাই সারাদিনে নিয়ম করে ড্রাই ফ্রুটস খেলে মিলবে অনেক উপকারিতা। এর মধ্যে থাকা গুরুতপূর্ণ উপাদান গুলি হল –
১.আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
২.বাচ্চাদের মেধাবী করতে সাহায্য করে।
৩.ডায়বেটিকস ও প্রেসার নিয়ন্ত্রনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
৪. গর্ভবতী মায়েদের জন্য ভিটামিন সমৃদ্ধ একটি উপকারী খাবার।
৫. অফিসে বা বাসায় কাজের মাঝে অল্প খিদে দূর করতে এটি খুব সাহায্য করে।
৬. এই মিক্স ড্রাই ফ্রুটস এসেনসিয়াল অয়েল আর ভিটামিন রয়েছে শীতকাল ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় ফলে এই মিক্স ফুড থেকেই প্রয়োজনীয় ভিটামিন মিলে।
৮.এছাড়া শীতকালে সর্দি কাশি ইত্যাদির রোগের মাত্রা বেড়ে যায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এটি শক্তি যোগান দিতে সহায়তা করবে।
৯.ডায়েটের জন্য অনেক উপকার এটি। ১০. এটি আপনি নিয়মিত খেলে আপনার হৃদরোগ এবং ক্যান্সার থেকে দূরে থাকবে।
এতে উপস্থিত আমন্ডে রয়েছে যা এলডিএল অর্থাৎ খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এর পাশাপাশি হার্টের স্বাস্থ্যকে বজায় রাখতে সাহায্য করে এই বাদাম। কাজুবাদাম রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে, হার্টের অবস্থা উন্নতি করতে, ওজন কমাতে সাহায্য় করে। ব্রাজিল নাট নিয়মিত খেলে মাথা, ঘাড়, যকৃত, স্তন, খাদ্যনালী, ত্বক, প্রস্টেট, কোলোরেক্টাল, ফুসফুস, মূত্রাশয় এবং রক্তের ক্যান্সারের মতো বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সক্ষম।


পেস্তা ডায়বেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে । এর পাশাপাশি ওজন কমাতে সাহায্য করে এই বাদাম। প্রতি সপ্তাহে পাঁচ বা তার বেশি আখরোট খাওয়া গেলে মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস পায়। অন্যদিকে প্রতিদিন এই বাদাম খেলে কার্ডিওভাসকুলার রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম। হেজেল নাট প্রদাহ হ্রাস করতে এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা হ্রাস করতে সহায়তা করে।
ড্রাই ফ্রুটস বা শুকনো ফল, কি কি সুবিধা রয়েছে এতে?

কিশমিশ, শুকনো খেজুর ও এপ্রিকটে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আছে এবং রক্তশূন্যতার রোগীদের প্রায়ই এসব ফল খেতে বলা হয়। এ ছাড়া কিশমিশে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাসও অনেক থাকে যা রক্ত চলাচলে সাহায্য করে এগুলো। রক্তনালিকে সুস্থ রাখে।







