নজরবন্দি ব্যুরোঃ লক্ষ্য সুষ্ঠ নির্বাচন, আর সেই কারণেই প্রতি দফার নির্বাচনের আগে নতুন করে একাধিক পরিকল্পনা নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। করোনা কালে ৮ দফায় ভোট হচ্ছে বাংলায়। আজ ষষ্ঠ দফা। চতুর্থ দফার নির্বচনের দিন শীতলকুচির ঘটনার পর থেকে আরও নরে চড়ে বসেছে কমিশন।
চতুর্থ দফার ভোটের দিন শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন ৫ জন। সেই থেকেই উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। তার পর থেকেই বিশেষ করে আর কোন ফাঁক রাখতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। কড়া পাহারায় প্রতি দফাতেই মোতায়েন করা হছহে বিপুল পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনি।
আজ ৪ জেলার ৪৩ টি আসনে চলছে ভোট গ্রহণ। মোতায়েন করা হয়েছে মোট ৭৭৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। কমিশন সূত্রে খবর, এই ৭৭৯ কোম্পানির মধ্যে আসানসোল-দুর্গাপুরে মোতায়েন আছেন ১৪ কোম্পানি আধাসেনা। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাত এবং বনগাঁ মিলিয়ে মোট ১২৮ কোম্পানি উপস্তিত আছে।সুধু ব্যাকারপুরেই ১০৭ কোম্পানির আধাসেনা আছে পাহারায়। অন্যদিকে বসিরহাটে ৪০ এবং বিধাননগরের আওতাভুক্ত এলাকায় থাকছে ৩ কোম্পানি বাহিনী। এছাড়াও উত্তর দিনাজপুরে ১৮১ কোম্পানি, কৃষ্ণনগরে ১৬৩ কোম্পানি এবং পূর্ব বর্ধমানের ৮ টি কেন্দ্রের নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকবে ১৪৩ কোম্পানি বাহিনী।
লক্ষ্য সুষ্ঠ নির্বাচন, বিপুল পরিমাণ বাহিনী সত্বেও আগের প্রতি দফার বিক্ষিপ্ত অশান্তির কথা মাথায় রেখেছে নির্বাচিন কমিশন। এই ভোটে ভাগ করা হয়েছে সাধারণ, সংবেদনশীল এবং অতিসংবেদলশীল বুথ হিসেবে। সূত্রের খবর উত্তর চব্বিশ পরগনার মোট বুথের সংখ্যা ৫,৫০১ টি ৷ যার মধ্যে অতি সংবেদনশীল বুথ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ২,১০০ গুলি বুথ। অন্য দিকে আজ ভোট পূর্ব বর্ধমানে, সেখানের মোট ২,৮৩১ টি বুথ, যার মধ্যে ১৩২২ টি বুথ অতিসংবেদনশীল হিসেবে চিহ্নিত। নদিয়ায় রয়েছে ৩,০৭২টি বুথ, তার মধ্যে ১,১১০ টি বুথ অতি সংবেদনশীল। উত্তর দিনাজপুরে ৩০৭৬ টি বুথের মধ্যে ৮৯২টি অতি সংবেদনশীল বুথ রয়েছে। সূত্রের খবর অশান্তি এড়াতে প্রত্যেকটি বিধানসভায় ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হচ্ছে।



